বাংলাদেশ-চীনের ম্যাচ পরিত্যক্ত, না খেলেই সেমিফাইনালে টাইগ্রেসরা
এশিয়ান গেমসের নারী ক্রিকেটে কোনো বল না খেলেই সেমিফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জাপানের নিশিনের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে চীনের বিপক্ষে বাংলাদেশের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি ভেজা মাঠের কারণে পরিত্যক্ত হয়। ফলে টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী উচ্চতর র্যাঙ্কিংয়ের সুবাদে শেষ চারের টিকিট পায় নিগার সুলতানা জ্যোতির দল।
ম্যাচটি স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে আগের কয়েক দিনের বৃষ্টিতে মাঠ ভেজা থাকায় খেলা শুরুর মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। আম্পায়াররা একাধিকবার মাঠ পরিদর্শন করেও খেলার উপযোগী করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত টসও অনুষ্ঠিত হয়নি, গড়ায়নি একটি বলও।
টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী, কোয়ার্টার ফাইনালে কোনো ম্যাচের ফল না হলে উচ্চতর র্যাঙ্কিংয়ে থাকা দল পরের ধাপে যাওয়ার সুযোগ পাবে। সেই নিয়মেই বাংলাদেশ সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয়। বর্তমানে বাংলাদেশের নারী দলের টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিং ১০, আর চীন রয়েছে ৩৬তম অবস্থানে।
‘বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জাপানের নিশিনের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে চীনের বিপক্ষে বাংলাদেশের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি ভেজা মাঠের কারণে পরিত্যক্ত হয়।’
— স্পোর্টস ডেস্ক
সেমিফাইনালে বাংলাদেশের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ ভারত। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) কোয়ার্টার ফাইনালে স্বাগতিক জাপানের মুখোমুখি হবে ভারত। ওই ম্যাচের বিজয়ী দলের বিপক্ষেই ২০ সেপ্টেম্বর সেমিফাইনালে খেলতে পারে বাংলাদেশ।
আরও পড়ুন
ফাইনালের আগে বাবরকে নিয়ে উদ্বিগ্ন নন পাকিস্তানের ব্যাটিং কোচ
কয়েক দিন আগে এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে হেরেছিল বাংলাদেশ। এবার এশিয়ান গেমসের মঞ্চে সেই ব্যর্থতা পেছনে ফেলে ভালো করার লক্ষ্য থাকবে নিগার সুলতানা জ্যোতির দলের। এশিয়ান গেমসে এর আগে তিনবার অংশ নিয়ে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল দুটি রুপা ও একটি ব্রোঞ্জ পদক জিতেছে।
মূল বিষয়গুলি
- এশিয়ান গেমসের নারী ক্রিকেটে কোনো বল না খেলেই সেমিফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ।
- ম্যাচটি স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় শুরু হওয়ার কথা ছিল।
- টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী, কোয়ার্টার ফাইনালে কোনো ম্যাচের ফল না হলে উচ্চতর র্যাঙ্কিংয়ে থাকা দল পরের ধাপে যাওয়ার সুযোগ পাবে।
- সেমিফাইনালে বাংলাদেশের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ ভারত।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।