আওয়ামী লীগ নেতাদের নির্দেশের কথা জানাল পুলিশ
রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশের অভিযোগ করেছে পুলিশ। ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের ডিসি মোল্লা মো. শাহীন বলেছেন, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই এসব ঘটনা ঘটানো হচ্ছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য পাওয়া গেছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
মোল্লা মো. শাহীন জানান, গত বৃহস্পতিবার যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় বংশাল ইউনিট আওয়ামী লীগের কর্মী রায়হানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছ থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করেন তিনি।
‘তবে এসব ঘটনায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশের অভিযোগ পুলিশের বক্তব্যের ভিত্তিতেই প্রকাশিত হয়েছে; এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে কি না, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।’
— জি বাংলা ডেস্ক
পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, রায়হানের বাসা থেকে অবিস্ফোরিত আরও চারটি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুন
প্রিপেইড মিটারে রিচার্জ নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
তিনি আরও বলেন, গত দুই দিনে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় আওয়ামী লীগের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
মূল বিষয়গুলি
- রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশের অভিযোগ করেছে পুলিশ।
- রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
- পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, রায়হানের বাসা থেকে অবিস্ফোরিত আরও চারটি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে।
- তিনি আরও বলেন, গত দুই দিনে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় আওয়ামী লীগের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে।
এর আগে ১৮ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ী থানার সামনে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় একজন অটোরিকশাচালক আহত হন। পরদিনও যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে এবং এতে একজন রিকশাচালক আহত হন।
তবে এসব ঘটনায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশের অভিযোগ পুলিশের বক্তব্যের ভিত্তিতেই প্রকাশিত হয়েছে; এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে কি না, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।