স্ত্রীকে হত্যার পর কাটা মাথা নিয়ে মন্দিরে স্বামী
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরে স্ত্রীকে হত্যার পর তাঁর মাথা বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। পরে স্ত্রীর বিচ্ছিন্ন মাথা নিয়ে তাঁকে একটি মন্দিরে বসে থাকতে এবং কখনো এলাকায় ঘুরতে দেখা যায় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
বুধবার সকালে শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নারায়ণপুর ঘোষপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নারীর নাম সীমা ঘোষ সরকার (৩৫)। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী রিন্টু ঘোষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
‘ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরে স্ত্রীকে হত্যার পর তাঁর মাথা বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।’
— আন্তর্জাতিক ডেস্ক
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৫ বছর আগে রিন্টু ঘোষের সঙ্গে সীমার বিয়ে হয়। তাঁদের দুই ছেলে রয়েছে। রিন্টু রাস্তার পাশে ফুটপাতে বসে ফুল, মুড়ি ও গুড় বিক্রি করতেন। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার (এনবিএসটিসি) অস্থায়ী কন্ডাক্টর হিসেবেও কাজ করতেন। তবে প্রায় তিন বছর আগে তাঁর সেই চাকরি চলে যায়।
আরও পড়ুন
টানা পঞ্চমবার মার্কিন এমপি নির্বাচিত ফিলিস্তিনি নারী রাশিদা তালিব
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, চাকরি হারানোর পর থেকে রিন্টু মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া ও অশান্তি হতো।
মূল বিষয়গুলি
- ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরে স্ত্রীকে হত্যার পর তাঁর মাথা বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
- বুধবার সকালে শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নারায়ণপুর ঘোষপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
- নিহত নারীর নাম সীমা ঘোষ সরকার (৩৫)।
- পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৫ বছর আগে রিন্টু ঘোষের সঙ্গে সীমার বিয়ে হয়।
বুধবার সকালে রিন্টুকে স্ত্রীর বিচ্ছিন্ন মাথা নিয়ে একটি মন্দিরে বসে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কখনো সেই মাথা হাতে নিয়ে তাঁকে এলাকায় ঘুরতেও দেখা যায় বলে তাঁদের দাবি। এ দৃশ্য দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেন। পরে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রিন্টুকে গ্রেপ্তার করে। সেখান থেকে সীমার বিচ্ছিন্ন মাথা ও মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি ধারালো দাও উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় তন্ত্রসাধনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বেশ কিছুদিন ধরে তন্ত্রসাধনা করছিলেন রিন্টু। দিনের বেশির ভাগ সময় বাড়ির কালীমন্দির ও পাশের দুর্গামন্দিরে কাটাতেন তিনি।
তবে পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, দাম্পত্য কলহের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। গ্রেপ্তার রিন্টুকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।