ছোট বহর, নিয়মিত ফ্লাইটে জাতিসংঘের পথে প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সফরকে ‘আড়ম্বর অনুষ্ঠান’ নয়, বরং বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষার কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার সকালে নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তাঁর ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে।
মাহদী আমিন তাঁর পোস্টে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে যেতে এক দিন ও ফিরতে এক দিন। এর মধ্যে চার দিনকে কাজে লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রী একের পর এক দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বৈঠক, জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের কর্মসূচি এবং বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক কার্যক্রমে অংশ নেবেন। তিনি বলেন, সীমিতসংখ্যক সফরসঙ্গী নিয়ে এ সফরের মূল লক্ষ্য কাজ করা, আড়ম্বর নয়।
‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘের ভাষণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নবযাত্রা, আইনের শাসন ও জবাবদিহিতা, বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, যুব ও নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, রোহিঙ্গা সংকট, আধুনিক…’
— জি বাংলা ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি অনুযায়ী, ২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের দেওয়া রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সম্মানে আয়োজিত স্বাগত প্রাতরাশে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। এরপর সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী কার্যক্রম ও মার্কিন প্রেসিডেন্টের দেওয়া সংবর্ধনায় অংশ নেবেন তিনি। সফরের ফাঁকে বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকও হওয়ার কথা রয়েছে।
আরও পড়ুন
সারাদেশে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান চলবে: দুদক চেয়ারম্যান
মাহদী আমিন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর তাঁদের পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন। এর আগে জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালে এবং খালেদা জিয়া ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেন।
মূল বিষয়গুলি
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সফরকে ‘আড়ম্বর অনুষ্ঠান’ নয়, বরং বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষার কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁ…
- সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
- মাহদী আমিন তাঁর পোস্টে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে যেতে এক দিন ও ফিরতে এক দিন।
- প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি অনুযায়ী, ২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের দেওয়া রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সম্মানে আয়োজিত স্বাগত প্রাতরাশে অংশ নেওয়ার কথা র…
পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী যখন জাতিসংঘের মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন, তখন একই অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তাঁর সভাপতিত্ব বাংলাদেশের জন্য বাড়তি গুরুত্ব বহন করছে।
মাহদী আমিন বলেন, এ সফরের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষা, দেশের স্বার্থ ও সরকারের নীতি তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘের ভাষণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নবযাত্রা, আইনের শাসন ও জবাবদিহিতা, বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, যুব ও নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, রোহিঙ্গা সংকট, আধুনিক প্রযুক্তির ন্যায়সংগত ব্যবহার এবং বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার সংস্কারের মতো বিষয় গুরুত্ব পাবে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।