আইপিএল সুন্দরীর বিয়ের ‘বাক্সবন্দি’ কার্ডের রহস্য
আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি সানরাইজার্স হায়দরাবাদের মালিক কলানিধি মারানের মেয়ে কাব্য মারানের বিয়ে নিয়ে গত কয়েক মাস ধরেই আলোচনা চলছে। চলতি মাসে সংগীতশিল্পী অনিরুদ্ধ রবিচন্দরের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন তিনি। অনিরুদ্ধ সম্পর্কে রজনীকান্তের ভাগ্নে।
এই তারকা জুটির বিয়ের আমন্ত্রণপত্রের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। আগামী ১১ নভেম্বর গ্রিসে তাঁদের বিয়ের আয়োজন হওয়ার কথা। দেশে হবে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা। ইতিমধ্যে অতিথিদের কাছে আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এরই কিছু দৃশ্য প্রকাশ করা হয়েছে ইনস্টাগ্রামে।
আমন্ত্রণপত্রটি তৈরি করেছে যে প্রতিষ্ঠান, তাদের প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা যায়, একটি বাক্সের ভেতরে রাখা হয়েছে কার্ডটি। সঙ্গে রয়েছে আরও কিছু সামগ্রী, যদিও সেগুলো প্রকাশ করা হয়নি। তবে সবার নজর কেড়েছে বাক্সটির নকশা।
‘কী চেয়েছিলেন তাঁরা, আর কীভাবে তৈরি হলো এই বিশেষ আমন্ত্রণপত্র—সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তা জানিয়েছেন নকশার দায়িত্বে থাকা শিল্পী রঞ্জনী আয়েঙ্গার।’
— স্পোর্টস ডেস্ক
আমন্ত্রণপত্র ও বাক্সের নকশা এতটাই দৃষ্টিনন্দন যে, একে কার্ডের চেয়ে শিল্পকর্ম বলাই যায়। অথচ এমন অভিনব নকশার পেছনে বর-কনের চাহিদা ছিল বেশ সহজ। কী চেয়েছিলেন তাঁরা, আর কীভাবে তৈরি হলো এই বিশেষ আমন্ত্রণপত্র—সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তা জানিয়েছেন নকশার দায়িত্বে থাকা শিল্পী রঞ্জনী আয়েঙ্গার।
আরও পড়ুন
কবে দলে ফিরতে পারেন দিবালা, জানালেন রোমা কোচ
আইভরি, হালকা নীল ও রুপালি রঙের মিশেলে তৈরি আমন্ত্রণবাক্সটিতে রয়েছে সাবেকি আভিজাত্যের ছোঁয়া। রঞ্জনীর ভাষ্য, আমন্ত্রণপত্র তৈরির পুরো প্রক্রিয়ায় কাব্য নিজেও যথেষ্ট আগ্রহ দেখিয়েছেন। নকশার খুঁটিনাটি নিয়ে ভেবেছেন তিনি। এমন কিছু তৈরি করাই ছিল তাঁদের লক্ষ্য, যা হবে অভিজাত, মার্জিত এবং সময়ের সঙ্গে পুরোনো হয়ে যাবে না। অতিথিরা যেন অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরও সেটি যত্ন করে রেখে দিতে চান—এটাই ছিল মূল ভাবনা।
মূল বিষয়গুলি
- আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি সানরাইজার্স হায়দরাবাদের মালিক কলানিধি মারানের মেয়ে কাব্য মারানের বিয়ে নিয়ে গত কয়েক মাস ধরেই আলোচনা চলছে।
- এই তারকা জুটির বিয়ের আমন্ত্রণপত্রের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
- আমন্ত্রণপত্রটি তৈরি করেছে যে প্রতিষ্ঠান, তাদের প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা যায়, একটি বাক্সের ভেতরে রাখা হয়েছে কার্ডটি।
- আমন্ত্রণপত্র ও বাক্সের নকশা এতটাই দৃষ্টিনন্দন যে, একে কার্ডের চেয়ে শিল্পকর্ম বলাই যায়।
বিয়ের আমন্ত্রণপত্রে সাধারণত ভারী রং, নকশা, ছবি কিংবা ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছোঁয়া থাকে। তবে কাব্য ও অনিরুদ্ধর আমন্ত্রণপত্রে সেই প্রবণতা অনুসরণ করা হয়নি। নিজেদের প্রেম বা সম্পর্কের গল্প কার্ডে তুলে ধরতে চাননি তাঁরা। বরং শৈল্পিক নকশাকেই এর প্রধান আকর্ষণ হিসেবে রাখতে চেয়েছিলেন। তাই পাউডার নীল, আইভরি ও রুপালি—এই তিনটি রঙের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে পুরো নকশা।
রঞ্জনী জানান, তিনি নিজে রং নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে ভালোবাসেন। তবে এই কাজের ক্ষেত্রে মাত্র তিনটি রঙের মধ্যে থেকে নকশাটিকে আকর্ষণীয় করে তোলাই ছিল মূল চ্যালেঞ্জ। নকশাটি ব্যক্তিগত আবহের হলেও তাতে অতিরিক্ত সাজসজ্জা রাখা হয়নি। আমন্ত্রণবাক্সের ভেতরে ঠিক কী কী সামগ্রী রয়েছে, তা অবশ্য প্রকাশ করতে চাননি তিনি।
রঞ্জনীর ধারণা, আগামী বিয়ের মৌসুমে আমন্ত্রণপত্রের নকশায় নতুন নতুন উপকরণের ব্যবহার আরও বাড়বে। ধাতু, কাঠ, ছাঁচে তৈরি বিভিন্ন উপকরণ, এমনকি প্লাস্টার অব প্যারিস ব্যবহার করেও তিনি কাজ করেছেন।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।