সাজেকে ফের গোলাগুলি, সোমবার থেকে অবরোধ
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রাঙামাটির সাজেকে জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) ও ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) মধ্যে ফের প্রায় ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
রোববার (১ নভেম্বর) বিকাল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত সাজেকের ঝুরঝুরি ছড়ার লাঙ্গলমারা এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। দুর্গম এলাকার কারণে এ ঘটনায় হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এর আগের দিন শনিবারও ওই দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। পরপর এসব ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
‘আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রাঙামাটির সাজেকে জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) ও ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) মধ্যে ফের প্রায় ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।’
— জি বাংলা ডেস্ক
স্থানীয়রা জানান, সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জেএসএস ও প্রসীত খীসার নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফের মধ্যে রোববার বিকালে গোলাগুলি হয়। শনিবারও সাজেকের মাচলং এলাকার দুর্গম কলাবুনিয়া ও ভাঙামুড়া এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে প্রায় দেড় ঘণ্টা গোলাগুলি চলে। তবে গোলাগুলিতে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে উভয় পক্ষ।
আরও পড়ুন
শ্রমিক আন্দোলনে সহিংসতার নেপথ্যে আওয়ামী লীগ
ইউপিডিএফের মুখপাত্র অংগ্য মারমা বলেন, তাদের কেউ এ ধরনের গোলাগুলিতে জড়িত থাকার প্রশ্নই আসে না।
মূল বিষয়গুলি
- আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রাঙামাটির সাজেকে জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) ও ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) মধ্যে ফের প্রায় ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলির ঘটন…
- রোববার (১ নভেম্বর) বিকাল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত সাজেকের ঝুরঝুরি ছড়ার লাঙ্গলমারা এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
- এর আগের দিন শনিবারও ওই দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
- স্থানীয়রা জানান, সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জেএসএস ও প্রসীত খীসার নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফের মধ্যে রোববার বিকালে গোলাগুলি হয়।
একইভাবে অভিযোগ অস্বীকার করে জেএসএসের কেন্দ্রীয় সহ-তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা বলেন, তাদের দলের কেউ এ ধরনের ঘটনায় জড়িত নন।
সাজেক ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য পরিচয় চাকমা জানান, ঝুরঝুরি ছড়া ও এর পাশের লাঙ্গলমারা সীমানা এলাকায় দুই সশস্ত্র পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
সাজেক থানার ওসি তোফাজ্জল হোসেন বলেন, লাঙ্গলমারা এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। তবে বর্তমানে গোলাগুলি থেমে গেছে।
এদিকে সাজেক পর্যটন সড়কে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কারবারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধ কর্মসূচি রোববার সকাল-সন্ধ্যা শিথিল করা হয়। তবে একই দিন পার্বত্য চট্টগ্রাম রক্ষা কমিটির ব্যানারে খাগড়াছড়ির আরেকটি সংগঠন পাল্টা অবরোধের ডাক দেয়। ফলে আগের অবরোধ শিথিলের সিদ্ধান্ত তেমন কার্যকর হয়নি বলে জানা গেছে।
অবরোধের কারণে কয়েকটি মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা চলাচল করলেও অন্য যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ ছিল। খাগড়াছড়িতে একটি সংগঠনের অবরোধের কারণে সাজেক সড়কে কয়েকটি হালকা যানবাহন চলাচল করলেও ভারী যানবাহন চলাচল করেনি বলে জানান ওসি।
পাঁচ দফা দাবিতে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও কারবারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকা অবরোধের ১১তম দিন ছিল রোববার। সংগঠন দুটির নেতা বাবুধন চাকমা ও নতুনজয় চাকমা জানিয়েছেন, সোমবার থেকে সাজেক পর্যটন সড়কে আগের মতো অনির্দিষ্টকালের অবরোধ কর্মসূচি চলবে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।