ফেসবুকে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়ার স্বীকারোক্তি, যুবক আটক
পোশাক শ্রমিকদের সাম্প্রতিক আন্দোলন চলাকালে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় ফেসবুকে স্বীকারোক্তিমূলক পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে রাজিব চন্দ্র দাস নামে এক যুবককে আটক করেছে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ।
রোববার (১ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর উত্তরার ৯ নম্বর সেক্টরের প্যারাগন মাঠ এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রোববার (১ নভেম্বর) রাত ১১টা থেকে ১১টা ৫০ মিনিটের মধ্যে অভিযান চালিয়ে রাজিবকে আটক করা হয়। উত্তরার ৯ নম্বর সেক্টরের ১ নম্বর সড়কের ৫৫ নম্বর বাড়ি থেকে তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়। বাড়িটি প্যারাগন মাঠ এলাকায় অবস্থিত।
‘পোশাক শ্রমিকদের সাম্প্রতিক আন্দোলন চলাকালে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় ফেসবুকে স্বীকারোক্তিমূলক পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে রাজিব চন্দ্র দাস নামে এক যুবককে আটক করেছে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ।’
— জি বাংলা ডেস্ক
পুলিশের দেওয়া তথ্যে আটক যুবকের বর্তমান ঠিকানা হিসেবে উত্তরার ৯ নম্বর সেক্টরের ওই বাড়ির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর স্থায়ী ঠিকানা শরীয়তপুর জেলার তুলাসার এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ড।
আরও পড়ুন
গাজীপুরে মহাসড়ক অবরোধ করে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন চলাকালে পুলিশের একটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পর রাজিব চন্দ্র দাস নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়ার বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক একটি পোস্ট দেন বলে অভিযোগ ওঠে।
মূল বিষয়গুলি
- পোশাক শ্রমিকদের সাম্প্রতিক আন্দোলন চলাকালে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় ফেসবুকে স্বীকারোক্তিমূলক পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে রাজিব চন্দ্র দাস নামে এক যুবককে আটক কর…
- রোববার (১ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর উত্তরার ৯ নম্বর সেক্টরের প্যারাগন মাঠ এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।
- পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রোববার (১ নভেম্বর) রাত ১১টা থেকে ১১টা ৫০ মিনিটের মধ্যে অভিযান চালিয়ে রাজিবকে আটক করা হয়।
- পুলিশের দেওয়া তথ্যে আটক যুবকের বর্তমান ঠিকানা হিসেবে উত্তরার ৯ নম্বর সেক্টরের ওই বাড়ির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া ওই পোস্টের সূত্র ধরেই পুলিশ তার অবস্থান শনাক্ত করে আটক করে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।