না.গঞ্জে ৮১ টন কেমিক্যাল জব্দ, ৪৫ টনের হদিস নেই
বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা কেমিক্যাল খোলাবাজারে বিক্রির অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের টানবাজারে অভিযান চালিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। রোববার (১ নভেম্বর) পরিচালিত এ অভিযানে ৮১ দশমিক ৬ মেট্রিক টন কেমিক্যালের সন্ধান পাওয়া গেছে। বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় মেসার্স এমআর ট্রেডার্সের গুদামটি সিলগালা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বন্ড সুবিধায় আমদানি করা ৪৫ মেট্রিক টন কেমিক্যালের হদিস না পাওয়ায় সিম ফেব্রিক্স লিমিটেডের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে অধিদপ্তর।
অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, অভিযানের সময় মেসার্স এমআর ট্রেডার্সের গুদামে সোডিয়াম হাইড্রোসালফাইটসহ প্রায় ৮১ দশমিক ৬ মেট্রিক টন কেমিক্যাল ও অন্যান্য কাঁচামাল মজুদ পাওয়া যায়। তবে এসব পণ্যের ক্রয়, আমদানি কিংবা বৈধভাবে মজুদ রাখার স্বপক্ষে কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। পরে মজুদ করা পণ্যসহ গুদামটি সিলগালা করা হয়।
অন্যদিকে, সিম ফেব্রিক্স লিমিটেডেও অভিযান চালান কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। প্রতিষ্ঠানটি গত ১৭ অক্টোবর ভারত থেকে বন্ড সুবিধায় ৪৫ মেট্রিক টন সোডিয়াম হাইড্রোসালফাইট আমদানি করে। তবে সরেজমিনে অভিযান চালিয়ে আমদানি করা ওই কেমিক্যালের মজুদ দেখাতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি।
‘সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, একদিকে বন্ড সুবিধায় আমদানি করা বিপুল পরিমাণ কেমিক্যালের হদিস পাওয়া যাচ্ছে না, অন্যদিকে নন-বন্ডেড প্রতিষ্ঠান মেসার্স এমআর ট্রেডার্সের গুদামে বিপুল পরিমাণ কেমিক্যাল পাওয়া গেলেও সেগুলোর বৈধ কাগজপত্র নেই।’
— Mehedi (Admin)
বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা এসব কেমিক্যাল উৎপাদনকাজে ব্যবহার না করে খোলাবাজারে বিক্রি বা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন কাস্টমস গোয়েন্দারা।
আরও পড়ুন
রাশেদ খাঁনের পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় নিন্দা জানাল এনইসি
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, একদিকে বন্ড সুবিধায় আমদানি করা বিপুল পরিমাণ কেমিক্যালের হদিস পাওয়া যাচ্ছে না, অন্যদিকে নন-বন্ডেড প্রতিষ্ঠান মেসার্স এমআর ট্রেডার্সের গুদামে বিপুল পরিমাণ কেমিক্যাল পাওয়া গেলেও সেগুলোর বৈধ কাগজপত্র নেই। এ দুই ঘটনার মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
মূল বিষয়গুলি
- বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা কেমিক্যাল খোলাবাজারে বিক্রির অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের টানবাজারে অভিযান চালিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
- অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, অভিযানের সময় মেসার্স এমআর ট্রেডার্সের গুদামে সোডিয়াম হাইড্রোসালফাইটসহ প্রায় ৮১ দশমিক ৬ মেট্রিক টন কেমিক্যাল ও অন্যান্য কাঁচামাল মজুদ …
- অন্যদিকে, সিম ফেব্রিক্স লিমিটেডেও অভিযান চালান কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
- বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা এসব কেমিক্যাল উৎপাদনকাজে ব্যবহার না করে খোলাবাজারে বিক্রি বা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন কাস্টমস গোয়…
তদন্তের আওতায় রয়েছে জব্দ করা কেমিক্যালের প্রকৃত উৎস, আমদানি ও ক্রয়-বিক্রয়ের তথ্য এবং বন্ড সুবিধার সম্ভাব্য অপব্যবহারের বিষয়টি। পাশাপাশি এ ঘটনায় সরকারের কী পরিমাণ শুল্ক-কর ফাঁকি হয়েছে, তা নিরূপণের কাজও চলছে।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, বন্ড সুবিধার অপব্যবহার, শুল্কমুক্ত কাঁচামালের অবৈধ বাজারজাতকরণ এবং রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।