আজ থেকে অটোরিকশার নিবন্ধন শুরু, জেনে নিন এককালীন ফি ও মেয়াদ
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বা ই-রিকশার নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি ই-রিকশার প্রাথমিক নিবন্ধনে এককালীন ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা ফি দিতে হবে। পাশাপাশি প্রতিবছর নিবন্ধন নবায়ন করতে হবে। নিবন্ধনের তারিখ থেকে একটি ই-রিকশার ব্যবহারযোগ্য মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ বছর।
রোববার (১ নভেম্বর) সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশনে আজ থেকে ই-রিকশার নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করা যাবে।
নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, দুই যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার প্রাথমিক নিবন্ধন ফি ৮ হাজার টাকা। চার যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার ক্ষেত্রে এ ফি ১০ হাজার টাকা। বার্ষিক নবায়ন ফি যথাক্রমে ৪ হাজার ও ৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া ফিটনেস সনদের জন্য দিতে হবে ১ হাজার টাকা।
‘প্রতিটি ই-রিকশাকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) নির্ধারিত প্রযুক্তিগত ও নিরাপত্তা মান পূরণ করতে হবে।’
— জি বাংলা ডেস্ক
নিবন্ধিত প্রতিটি ই-রিকশার জন্য কিউআর কোডযুক্ত নম্বর প্লেট ও প্রয়োজনীয় তথ্যসংবলিত ব্লু-বুক দেওয়া হবে। তবে নম্বর প্লেটের জন্য অতিরিক্ত ১ হাজার টাকা দিতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
আরও পড়ুন
আশুলিয়ায় থমথমে অবস্থা, কন্টেইনারবাহী গাড়িতে আগুন
নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, নিবন্ধন ও ফিটনেস সনদ ছাড়া কোনো ই-রিকশা সড়কে চলাচল করতে পারবে না। জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে ও প্রধান বাস চলাচলের সড়কেও এসব যান চলাচল নিষিদ্ধ থাকবে। এ ছাড়া ই-রিকশার সর্বোচ্চ গতিসীমা, যাত্রী ধারণক্ষমতা ও চলাচলের রুট নির্ধারণ করা হবে।
মূল বিষয়গুলি
- ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বা ই-রিকশার নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।
- রোববার (১ নভেম্বর) সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এসব তথ্য জানান।
- নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, দুই যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার প্রাথমিক নিবন্ধন ফি ৮ হাজার টাকা।
- নিবন্ধিত প্রতিটি ই-রিকশার জন্য কিউআর কোডযুক্ত নম্বর প্লেট ও প্রয়োজনীয় তথ্যসংবলিত ব্লু-বুক দেওয়া হবে।
প্রতিটি ই-রিকশাকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) নির্ধারিত প্রযুক্তিগত ও নিরাপত্তা মান পূরণ করতে হবে। পুরোনো ই-রিকশাগুলোকেও প্রয়োজনীয় কাঠামোগত পরিবর্তন এনে অনুমোদন নিতে হবে।
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ই-রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে আটটি অঞ্চল নির্ধারণ করা হবে। প্রতিটি অঞ্চলের জন্য থাকবে আলাদা রং। তবে নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হলেও একসঙ্গে সব ই-রিকশা সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে না। পর্যায়ক্রমে নিবন্ধন এবং অবৈধ যান অপসারণের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।