রাশেদ খাঁনের পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় নিন্দা জানাল এনইসি
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খানের ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার ভিডিওর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল (এনইসি)। সংবাদপত্র ছিঁড়ে ফেলার ভিডিও প্রকাশকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর আঘাত হিসেবে উল্লেখ করেছে সংগঠনটি।
রোববার (২ নভেম্বর) এক যৌথ বিবৃতিতে এনইসির সভাপতি শফিক রেহমান ও কোষাধ্যক্ষ শফিকুল আলম এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। বিবৃতিতে বলা হয়, গত শনিবার সন্ধ্যায় এক ভিডিও বার্তায় প্রকাশ্যে ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলেন রাশেদ খান। এ সময় পত্রিকাটি ও এর সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার এবং বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করেন তিনি। ৩১ অক্টোবর পত্রিকাটিতে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের জবাবে তিনি এ প্রতিক্রিয়া দেখান।
এনইসি নেতারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারীর মতো দায়িত্বশীল পদে থেকে সংবাদপত্র ছিঁড়ে ফেলার দৃশ্য ভিডিও করে প্রচার করা নিন্দনীয়। এ ধরনের আচরণ সংবাদপত্রের স্বাধীনতার মৌলিক নীতির পরিপন্থী।
‘একই সঙ্গে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী ও আম-জনতা দলের সদস্য সচিব তারেক রহমান ‘আমার দেশ’-এর একটি পুরোনো খবরকে কেন্দ্র করে সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে আইনের আওতায় আনার যে দাবি জানিয়েছেন, সেটিকেও উসকানিমূলক এবং সম্পাদককে সরাসরি হুমকি দেওয়ার শামিল বলে উল্লেখ করেন…’
— জি বাংলা ডেস্ক
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কোনো সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে কেউ সংক্ষুব্ধ হলে প্রতিবাদ পাঠানো, প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ করা কিংবা আইনের আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু এসব পদক্ষেপ না নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে সংবাদপত্র সম্পর্কে কী বার্তা দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নেতারা। তাঁদের মতে, সরকারের দায়িত্বশীল পদে থেকে এভাবে পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলা উসকানিমূলক আচরণ।
আরও পড়ুন
নতুন ভোটার হওয়া থেকে এনআইডি সংশোধন, জেনে নিন নিয়ম
একই সঙ্গে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী ও আম-জনতা দলের সদস্য সচিব তারেক রহমান ‘আমার দেশ’-এর একটি পুরোনো খবরকে কেন্দ্র করে সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে আইনের আওতায় আনার যে দাবি জানিয়েছেন, সেটিকেও উসকানিমূলক এবং সম্পাদককে সরাসরি হুমকি দেওয়ার শামিল বলে উল্লেখ করেন তাঁরা।
মূল বিষয়গুলি
- প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খানের ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার ভিডিওর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল (এনইসি)।
- রোববার (২ নভেম্বর) এক যৌথ বিবৃতিতে এনইসির সভাপতি শফিক রেহমান ও কোষাধ্যক্ষ শফিকুল আলম এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
- এনইসি নেতারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারীর মতো দায়িত্বশীল পদে থেকে সংবাদপত্র ছিঁড়ে ফেলার দৃশ্য ভিডিও করে প্রচার করা নিন্দনীয়।
- বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কোনো সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে কেউ সংক্ষুব্ধ হলে প্রতিবাদ পাঠানো, প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ করা কিংবা আইনের আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
বিবৃতিতে এনইসি নেতারা বলেন, বিগত সরকারের আমলে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন যুবলীগ ও ছাত্রলীগ ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলা, আগুন দেওয়া এবং পত্রিকা অফিসে হামলার মতো ঘটনা ঘটিয়েছিল। বর্তমান সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের মধ্যেও প্রায় একই ধরনের আচরণ দেখা যাচ্ছে বলে তাঁরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এ ধরনের আচরণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে নেতারা বলেন, সংবাদপত্রের ওপর আক্রমণ, সম্পাদকদের হুমকি এবং বিদ্বেষ ছড়ানোর মাধ্যমে দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হচ্ছে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।