তাহসিফের মৃত্যু/গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন দীপ, রিমান্ড শেষে কারাগারে প্রেরণ
বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলায় তিন দিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তাঁর জামিন আবেদনও নামঞ্জুর করা হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
পুলিশের ভাষ্য, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার দিন তাহসিফের সঙ্গে ঘোরাফেরা, বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত এবং রেস্তোরাঁয় খাওয়াদাওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন দীপ। তবে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জবাব তিনি এড়িয়ে গেছেন এবং নীরবতা পালন করেছেন বলে দাবি পুলিশের।
‘পুলিশের ভাষ্য, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার দিন তাহসিফের সঙ্গে ঘোরাফেরা, বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত এবং রেস্তোরাঁয় খাওয়াদাওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন দীপ।’
— জি বাংলা ডেস্ক
শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী বলেন, রিমান্ড শুনানির সময় তাঁরা কোনো জামিন আবেদন করেননি। জিজ্ঞাসাবাদে দীপ সব ধরনের তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। প্রতিবার রিমান্ডে নেওয়ার পর চাঞ্চল্যকর তথ্য দেওয়ার কথা বলা হলেও কাউকে জোর করে স্বীকারোক্তি আদায়ের অধিকার কারও নেই। আসামির মানসিক অবস্থার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া উচিত। এসব দিক বিবেচনা করে দীপের জামিন আবেদন করেন আইনজীবী।
আরও পড়ুন
জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলায় সেই মোতাহার ফের রিমান্ডে
এর আগে তিন দিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে দীপকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। পুলিশের আবেদনে বলা হয়, রিমান্ডে দীপ ঘটনার দিন তাহসিফের সঙ্গে ঘোরাফেরা, বিভিন্ন স্থানে যাওয়া এবং রেস্তোরাঁয় খাওয়াদাওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তবে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে গেছেন বলে দাবি করা হয়।
মূল বিষয়গুলি
- বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলায় তিন দিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
- শনিবার (৭ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো.
- পুলিশের ভাষ্য, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার দিন তাহসিফের সঙ্গে ঘোরাফেরা, বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত এবং রেস্তোরাঁয় খাওয়াদাওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন দীপ।
- শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী বলেন, রিমান্ড শুনানির সময় তাঁরা কোনো জামিন আবেদন করেননি।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় তাহসিফকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যান দীপ। পরে তাঁরা একটি মোটরসাইকেলের গ্যারেজে যান। এরপর জেরিকা তাসনিম দিশাকে সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর সিপি ফাইভ স্টারে নাশতা করেন। রাতে তাঁরা উত্তরা নেস্ট বার অ্যান্ড রেস্তোরাঁয় যান। সেখানে তিনজনই বিয়ার পান ও ধূমপান করেন। একপর্যায়ে জেরিকা বাসায় চলে যান।
পুলিশের আবেদনে আরও বলা হয়, ২৮ অক্টোবর রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে তাহসিফ ও দীপ টঙ্গীর মাজার বস্তিতে পৌঁছান। পরে তুরাগ নদীর তীরবর্তী একটি মাঠে যাওয়ার পর কয়েকজনকে দেখে তাঁরা আলাদা হয়ে যান বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন দীপ।
সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ফোনের কললিস্ট পর্যালোচনা ও অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে মৃত্যুর আগে তাহসিফকে সর্বশেষ দীপ ও জেরিকার সঙ্গে দেখা গেছে বলে দাবি পুলিশের। রিমান্ডে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তদন্তের স্বার্থে গোপন রেখে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।