জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলায় সেই মোতাহার ফের রিমান্ডে
রাজধানীর মৌচাক-মালিবাগে আলোচিত ‘ট্রিপল মার্ডার’ মামলার আসামি মোতাহার হোসেনকে জুলাই আন্দোলনের সময় মো. জসিম হত্যা মামলায় ফের তিন দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা মোতাহারকে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিমের ঘনিষ্ঠজন বলে উল্লেখ করেছেন।
শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম এ আদেশ দেন।
এদিন একই মামলায় চার দিনের রিমান্ড শেষে মোতাহার হোসেনকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুল ইসলাম তাঁকে ফের সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী আরশাদুজ্জামানসহ কয়েকজন তাঁর জামিন চান। তবে রাষ্ট্রপক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
‘মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন, ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার, তাঁদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ, ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার এবং মোতাহারের কাছ থেকে আরও তথ্য পাওয়ার জন্য তাঁকে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করেন তদন্ত কর্মকর্তা।’
— জি বাংলা ডেস্ক
রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, আদালতের আদেশ অনুযায়ী জিজ্ঞাসাবাদের আগে ও পরে আসামির চিকিৎসা পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাঁকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ের হাজতখানায় বিধি অনুযায়ী রাখা হয়। ডিবি কার্যালয়ের টিএফআই সেলের সহায়তায় হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুসরণ করে মামলার ঘটনা সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
আরও পড়ুন
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন দীপ, রিমান্ড শেষে কারাগারে প্রেরণ
আবেদনে বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে মোতাহার হোসেন মামলার বিষয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তবে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেছেন বলে তদন্ত কর্মকর্তার দাবি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
মূল বিষয়গুলি
- রাজধানীর মৌচাক-মালিবাগে আলোচিত ‘ট্রিপল মার্ডার’ মামলার আসামি মোতাহার হোসেনকে জুলাই আন্দোলনের সময় মো.
- শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো.
- এদিন একই মামলায় চার দিনের রিমান্ড শেষে মোতাহার হোসেনকে আদালতে হাজির করা হয়।
- রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, আদালতের আদেশ অনুযায়ী জিজ্ঞাসাবাদের আগে ও পরে আসামির চিকিৎসা পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে।
তদন্ত কর্মকর্তার দাবি, মোতাহার হোসেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিমের ঘনিষ্ঠজন। ৫ আগস্টের ছাত্র আন্দোলন প্রতিহত করতে তিনি অর্থের জোগানদাতা হিসেবে কাজ করেছেন বলেও রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন, ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার, তাঁদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ, ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার এবং মোতাহারের কাছ থেকে আরও তথ্য পাওয়ার জন্য তাঁকে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করেন তদন্ত কর্মকর্তা। এসব কারণে তিনি সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছিলেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট উত্তরা পশ্চিম থানাধীন জসিম উদ্দীন সড়কে ঢাকা ব্যাংকের সামনে মো. জসিম গুলিবিদ্ধ হন। পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় পঙ্গু হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় জসিমের স্ত্রী মোছা. ফরিদা ২০২৪ সালের ১১ ডিসেম্বর মামলা করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের আসামি করা হয়। এজাহারে মোতাহার হোসেনকে ১৯৬ নম্বর আসামি করা হয়েছে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।