পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম ২৩ সেপ্টেম্বর
বাংলাদেশের আকাশে ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র রবিউস সানি মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আগামীকাল রোববার থেকে পবিত্র রবিউস সানি মাস গণনা শুরু হবে। সেই হিসাবে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম পালিত হবে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।
‘জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) মুফতি মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী নদভী, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ এইচ এম কামরুজ্জামান, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মুখ্য বার্তা সম্পাদক কামরুল ইসলাম, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত …’
— জি বাংলা ডেস্ক
১৪৪৮ হিজরি সনের রবিউস সানি মাসের চাঁদ দেখা-সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য পর্যালোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেয় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। দেশের সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয় ও বিভাগীয়-জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) থেকে পাওয়া তথ্য সভায় পর্যালোচনা করা হয়।
আরও পড়ুন
অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়?
‘ইয়াজদাহম’ ফারসি শব্দ, যার অর্থ এগারো। ‘ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম’ বলতে রবিউস সানি মাসের ১১তম দিনকে বোঝায়। সুফি সাধক হজরত আবদুল কাদের জিলানী (রহ.)-এর স্মরণে এ দিনটি পালিত হয়। হিজরি ৫৬১ সালের ১১ রবিউস সানি তিনি ইন্তেকাল করেন।
মূল বিষয়গুলি
- বাংলাদেশের আকাশে ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র রবিউস সানি মাসের চাঁদ দেখা গেছে।
- শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।
- ১৪৪৮ হিজরি সনের রবিউস সানি মাসের চাঁদ দেখা-সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য পর্যালোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেয় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) মুফতি মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী নদভী, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ এইচ এম কামরুজ্জামান, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মুখ্য বার্তা সম্পাদক কামরুল ইসলাম, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম, স্পারসোর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ শহিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।