চীন সীমান্তের কাছে বিশ্বের সর্বোচ্চ উচ্চতায় বিমান অবতরণ করল ভারত
ভারতের পূর্ব লাদাখের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ নিওমা বিমানঘাঁটিতে আইএল-৭৬এমডি ভারী পরিবহন বিমান অবতরণ করিয়েছে দেশটির বিমানবাহিনী। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৩ হাজার ৬২৯ ফুট উচ্চতায় বিমানটি অবতরণ করে। ভারতীয় বিমানবাহিনীর দাবি, ভারী পরিবহন বিমানের ক্ষেত্রে এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ উচ্চতায় অবতরণের রেকর্ড।
গালফ নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অর্জনের মধ্য দিয়ে বিশ্বের অন্যতম দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে সেনাসদস্য, ভারী সামরিক সরঞ্জাম ও প্রয়োজনীয় রসদ পরিবহনে ভারতের সক্ষমতার নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে।
অবতরণের ঘটনাটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, নিওমা বিমানঘাঁটি চীনের সঙ্গে ভারতের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার (এলএসি) কাছাকাছি অবস্থিত। দীর্ঘদিনের সীমান্ত উত্তেজনার পর দুই দেশই এ অঞ্চলে সামরিক অবকাঠামো ও যোগাযোগব্যবস্থা শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে।
‘সেখানে তারা লিখেছে, ‘১৩ হাজার ৬২৯ ফুট, বিমান চলাচলের ইতিহাসে এক নতুন উচ্চতা।’ এই অবতরণ নিওমা বিমানঘাঁটিকে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।’
— আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ভারতীয় বিমানবাহিনী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এই অবতরণের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে তারা লিখেছে, ‘১৩ হাজার ৬২৯ ফুট, বিমান চলাচলের ইতিহাসে এক নতুন উচ্চতা।’
আরও পড়ুন
তলিয়ে গেছে ৭০ হাজার তাঁবু, ফের আশ্রয়হীন বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর
এই অবতরণ নিওমা বিমানঘাঁটিকে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মূল বিষয়গুলি
- <p>ভারতের পূর্ব লাদাখের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ নিওমা বিমানঘাঁটিতে আইএল-৭৬এমডি ভারী পরিবহন বিমান অবতরণ করিয়েছে দেশটির বিমানবাহিনী।
- <p>গালফ নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অর্জনের মধ্য দিয়ে বিশ্বের অন্যতম দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে সেনাসদস্য, ভারী সামরিক সরঞ্জাম ও প্রয়োজনীয় রসদ পরিবহনে ভারতের সক্ষম…
- <p>অবতরণের ঘটনাটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
- <p>ভারতীয় বিমানবাহিনী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এই অবতরণের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেছে।
কেন এই অবতরণ গুরুত্বপূর্ণ
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৩ হাজার ৬২৯ ফুট উচ্চতায় ভারী পরিবহন বিমান পরিচালনা করা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। এ ধরনের উচ্চতায় বাতাসের ঘনত্ব কম থাকায় উড়োজাহাজের ইঞ্জিনের কার্যক্ষমতা এবং ডানা থেকে উৎপন্ন ঊর্ধ্বমুখী বল কমে যায়। ফলে উড্ডয়ন ও অবতরণের সময় বিমান পরিচালনা এবং পণ্য পরিবহনের সক্ষমতা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।
আইএল-৭৬এমডি রাশিয়ার তৈরি চার ইঞ্জিনবিশিষ্ট ভারী পরিবহন বিমান। দীর্ঘ দূরত্বে সেনাসদস্য, সামরিক যানবাহন, ভারী সরঞ্জাম ও প্রয়োজনীয় রসদ পরিবহনের জন্য এটি তৈরি করা হয়েছে। কয়েক দশক ধরে ভারতীয় বিমানবাহিনীর কৌশলগত পরিবহন বহরের অন্যতম প্রধান বিমান হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে এটি।
এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, রেকর্ড গড়া এই অবতরণ বিমানটির সক্ষমতার পাশাপাশি এর সঙ্গে যুক্ত ভারতীয় বিমানবাহিনীর সদস্যদের দক্ষতারও প্রমাণ।
আইএল-৭৬ বিমানটি এর আগে লেহ (সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১১ হাজার ৫০০ ফুট উচ্চতায়) এবং থোইস (প্রায় ১০ হাজার ৭০ ফুট উচ্চতায়) বিমানঘাঁটি থেকে নিয়মিত চলাচল করেছে। তবে নিওমায় অবতরণের মধ্য দিয়ে বিমানটি আরও দুর্গম ও অধিক উচ্চতায় অবস্থিত একটি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পৌঁছানোর সক্ষমতা দেখিয়েছে।
ভারতের জন্য এই অর্জন হিমালয় সীমান্ত অঞ্চলে দ্রুত সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন, দুর্গম ভূখণ্ডে সামরিক কার্যক্রম সচল রাখা এবং প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।