কেশম দ্বীপে মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিতের দাবি ইরানের
ইরানের কেশম দ্বীপের আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের একটি এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ইরানের সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে এ দাবি করা হয়।
দেশটির বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আওতায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ড্রোনটিকে শনাক্ত ও লক্ষ্যবস্তু করা হয়। পরে সেটি ধ্বংস করা হয় বলে বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে।
‘দেশটির বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আওতায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ড্রোনটিকে শনাক্ত ও লক্ষ্যবস্তু করা হয়।’
— আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বিবৃতিতে ড্রোনটিকে ‘আগ্রাসী মার্কিন শত্রুর’ বিমান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ বলে আখ্যা দিয়েছে ইরান।
আরও পড়ুন
ঘুমিয়েই জিতলেন সাড়ে ৯ লাখ টাকা!
তবে ইরানের এ দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে ড্রোনটি ভূপাতিত হওয়ার বিষয়টি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মূল বিষয়গুলি
- ইরানের কেশম দ্বীপের আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের একটি এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী।
- শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ইরানের সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে এ দাবি করা হয়।
- দেশটির বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আওতায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ড্রোনটিকে শনাক্ত ও লক্ষ…
- বিবৃতিতে ড্রোনটিকে ‘আগ্রাসী মার্কিন শত্রুর’ বিমান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
কেশম ইরানের সবচেয়ে বড় দ্বীপ। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমোজগান প্রদেশে অবস্থিত দ্বীপটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির উত্তর প্রবেশপথের কাছে। এই প্রণালি পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
এর আগেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক উত্তেজনার মধ্যে কেশম দ্বীপ ও এর আশপাশের জলসীমায় মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরান।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। জুন মাসে পূর্ণাঙ্গ শান্তিচুক্তির বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক সই হলেও সংঘাতের স্থায়ী অবসান হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।