ফের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে পোশাকশ্রমিকদের অবরোধ
বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে আবারও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে তাঁরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন।
এতে কোনাবাড়ী থেকে কালিয়াকৈর পর্যন্ত শিল্পাঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
সকালে কোনাবাড়ী, কাশিমপুর, সফিপুর ও কালিয়াকৈর এলাকার বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা কর্মস্থলে যোগ না দিয়ে সড়কে নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে তাঁরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেন।
‘এর আগে রোববার (১ নভেম্বর) শ্রমিক বিক্ষোভের কারণে কোনাবাড়ী, কাশিমপুর, সফিপুর ও কালিয়াকৈর এলাকার ৩০টির বেশি পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।’
— জি বাংলা ডেস্ক
শ্রমিকদের দাবি, তাঁদের বেতন-ভাতা বাড়াতে হবে। এ দাবিতে গত সাত দিন ধরে গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন তাঁরা।
আরও পড়ুন
৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৬৫ বছরের বৃদ্ধ পুলিশ হেফাজতে
এর আগে রোববার (১ নভেম্বর) শ্রমিক বিক্ষোভের কারণে কোনাবাড়ী, কাশিমপুর, সফিপুর ও কালিয়াকৈর এলাকার ৩০টির বেশি পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।
মূল বিষয়গুলি
- বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে আবারও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা।
- এতে কোনাবাড়ী থেকে কালিয়াকৈর পর্যন্ত শিল্পাঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
- সকালে কোনাবাড়ী, কাশিমপুর, সফিপুর ও কালিয়াকৈর এলাকার বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা কর্মস্থলে যোগ না দিয়ে সড়কে নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন।
- শ্রমিকদের দাবি, তাঁদের বেতন-ভাতা বাড়াতে হবে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) একই দাবিতে চন্দ্রা এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন ইন্টারস্টপ কারখানার শ্রমিকেরা। তাঁদের ৩০ হাজার টাকা বেতন নির্ধারণের দাবিতে আশপাশের বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকেরাও আন্দোলনে যোগ দেন।
টানা শ্রমিক আন্দোলনে কোনাবাড়ী থেকে কালিয়াকৈর পর্যন্ত শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতা বিরাজ করছে। শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধের কারণে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।