বুলগেরিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয়ের পথে ইলিয়ানা
বুলগেরিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটে বড় ব্যবধানে জয়ের পথে রয়েছেন ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ইলিয়ানা ইয়োতোভা। রোববার (১ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত রানঅফ নির্বাচনের পর প্রকাশিত একাধিক জনমত জরিপ ও এক্সিট পোলের ফলাফলে তার সুস্পষ্ট এগিয়ে থাকার চিত্র উঠে এসেছে।
দেশটির পাঁচটি প্রধান জরিপ সংস্থার সমান্তরাল ভোট গণনার হিসাবে ইয়োতোভা পেয়েছেন ৫৬ দশমিক ৬ থেকে ৫৮ দশমিক ২ শতাংশ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী পশ্চিমাপন্থী প্রার্থী আন্দ্রে গিউরভ পেয়েছেন ৩৮ দশমিক ৬ থেকে ৪০ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট।
পরাজয় মেনে নিয়েছেন গিউরভ। রাজধানী সোফিয়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘ফলাফল যতই বিস্ময়কর হোক না কেন, আমরা তা মেনে নিচ্ছি।’ তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী প্রচার শেষ হলেও দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়নি।
‘গত ১৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বুলগেরিয়ার সংসদ নির্বাচনে সাবেক প্রেসিডেন্ট রুমেন রাদেভের নেতৃত্বাধীন প্রগ্রেসিভ বুলগেরিয়া ২৪০ আসনের জাতীয় সংসদে ১৩১টি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।’
— আন্তর্জাতিক ডেস্ক
দীর্ঘদিন ধরে বুলগেরিয়ান সোশ্যালিস্ট পার্টির (বিএসপি) সঙ্গে যুক্ত ইয়োতোভা প্রথম দফার নির্বাচনের তুলনায় নিজের ভোটের হার বাড়িয়েছেন। গত ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত প্রথম দফার ভোটে তিনি পেয়েছিলেন ৩৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট। অন্যদিকে, গিউরভ পেয়েছিলেন ৩১ দশমিক ৯৫ শতাংশ।
আরও পড়ুন
জাপানে ভাল্লুকের সঙ্গে ধাক্কা, লাইনচ্যুত এক্সপ্রেস ট্রেন
নির্বাচনী প্রচারে ইউক্রেনকে অতিরিক্ত অস্ত্র সহায়তা না দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নেন ইয়োতোভা। তার মতে, ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধান হওয়া উচিত কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে। এ বিষয়ে তার অবস্থান গিউরভের নীতির বিপরীত।
মূল বিষয়গুলি
- বুলগেরিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটে বড় ব্যবধানে জয়ের পথে রয়েছেন ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ইলিয়ানা ইয়োতোভা।
- দেশটির পাঁচটি প্রধান জরিপ সংস্থার সমান্তরাল ভোট গণনার হিসাবে ইয়োতোভা পেয়েছেন ৫৬ দশমিক ৬ থেকে ৫৮ দশমিক ২ শতাংশ ভোট।
- পরাজয় মেনে নিয়েছেন গিউরভ।
- দীর্ঘদিন ধরে বুলগেরিয়ান সোশ্যালিস্ট পার্টির (বিএসপি) সঙ্গে যুক্ত ইয়োতোভা প্রথম দফার নির্বাচনের তুলনায় নিজের ভোটের হার বাড়িয়েছেন।
গত ১৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বুলগেরিয়ার সংসদ নির্বাচনে সাবেক প্রেসিডেন্ট রুমেন রাদেভের নেতৃত্বাধীন প্রগ্রেসিভ বুলগেরিয়া ২৪০ আসনের জাতীয় সংসদে ১৩১টি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
ইয়োতোভা এর আগে রাদেভের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। গত জানুয়ারিতে রাদেভ পদত্যাগ করলে তিনি প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পূর্ণ পাঁচ বছরের মেয়াদে নির্বাচিত হওয়ার লক্ষ্যে ইয়োতোভার প্রার্থিতাকে সমর্থন দিয়েছে প্রগ্রেসিভ বুলগেরিয়া।
অন্যদিকে, সাবেক ডেপুটি গভর্নর গিউরভ নির্বাচনী প্রচারে সতর্ক করে বলেছিলেন, ইয়োতোভা জয়ী হলে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ে কার্যকর ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। কারণ, ইতোমধ্যে প্রগ্রেসিভ বুলগেরিয়া সরকার ও সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ন্ত্রণ করছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও নিরাপত্তানীতি নিয়েও দুই প্রার্থীর মধ্যে মতপার্থক্য ছিল। গিউরভ সরকারের ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা কমানো, সিদ্ধান্ত গ্রহণে দ্বিধা এবং ন্যাটো ও ইইউর অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয়ে ধীরগতির সমালোচনা করেন। তার দাবি, সরকারের এ ধরনের নীতির কারণে বুলগেরিয়ার নিরাপত্তাঝুঁকি বেড়েছে এবং ন্যাটোর পূর্বাঞ্চলীয় প্রতিরক্ষা বলয়ে দেশটি দুর্বল সংযোগে পরিণত হয়েছে।
নির্বাচনী ফলাফলের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ইয়োতোভার জয় নিশ্চিত হলে বুলগেরিয়ার রাজনৈতিক নেতৃত্বে প্রগ্রেসিভ বুলগেরিয়ার অবস্থান আরও সুসংহত হবে। তবে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশের পরই তার বিজয় নিশ্চিত হবে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।