কুমিল্লায় নিখোঁজের দুদিন পর ভারতীয় শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার
কুমিল্লায় নিখোঁজের দুদিন পর আদনান আলতাফ (২৮) নামের এক মেডিকেল শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের বাসিন্দা।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে জেলার বুড়িচং উপজেলার কাবিলা এলাকা থেকে তাঁর ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, এলাকার একটি জলাশয়ে লাশ ভাসতে দেখে তাঁরা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে।
‘কলেজ প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২ নভেম্বর) রাত ১১টা ৩৬ মিনিটে আদনান মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে কাছের একটি হোটেলে যান।’
— জি বাংলা ডেস্ক
আদনান আলতাফ বুড়িচং উপজেলার কাবিলা এলাকায় অবস্থিত ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর খবরে কলেজে অধ্যয়নরত দেশি-বিদেশি শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
আরও পড়ুন
পর্নোগ্রাফি মামলায় সাতক্ষীরার কনটেন্ট ক্রিয়েটর মামুন গ্রেফতার
কলেজ প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২ নভেম্বর) রাত ১১টা ৩৬ মিনিটে আদনান মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে কাছের একটি হোটেলে যান। এরপর রাত ১২টা ৫ মিনিটের দিকে তিনি নিখোঁজ হন।
মূল বিষয়গুলি
- কুমিল্লায় নিখোঁজের দুদিন পর আদনান আলতাফ (২৮) নামের এক মেডিকেল শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
- বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে জেলার বুড়িচং উপজেলার কাবিলা এলাকা থেকে তাঁর ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়।
- স্থানীয়রা জানান, এলাকার একটি জলাশয়ে লাশ ভাসতে দেখে তাঁরা পুলিশকে খবর দেন।
- আদনান আলতাফ বুড়িচং উপজেলার কাবিলা এলাকায় অবস্থিত ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।
ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান শাহ মো. সেলিম জানান, আদনান কিছুটা মানসিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। এ কারণে ক্যাম্পাসে তাঁর মায়ের সঙ্গে থাকার বিশেষ ব্যবস্থা করেছিল কলেজ কর্তৃপক্ষ। তাঁর নিখোঁজের ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে বুড়িচং থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান বলেন, সোমবার ওই শিক্ষার্থীর নিখোঁজের ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। এরপর থেকে পুলিশ তাঁকে উদ্ধারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানোর পাশাপাশি খোঁজখবর নিচ্ছিল। বুধবার সকালে স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে জলাশয় থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।