অ্যাটকোর সভাপতি অঞ্জন চৌধুরী, মহাসচিব আবদুস সালাম
অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সের (অ্যাটকো) বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভা শেষে নির্বাচনের মাধ্যমে সংগঠনটির নতুন নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।
রোববার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর বনানীর শেরাটন হোটেলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন অ্যাটকোর সভাপতি অঞ্জন চৌধুরী।
সভায় সংগঠনের বিগত সময়ের কার্যক্রম, সাংগঠনিক অগ্রগতি, আর্থিক প্রতিবেদন এবং দেশের টেলিভিশন সম্প্রচার খাতের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। সদস্যদের মতামত ও প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা, সদস্যদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় এবং টেলিভিশন শিল্পের উন্নয়নে করণীয় নিয়েও আলোচনা করা হয়।
‘নতুন কমিটির নেতারা অ্যাটকোর কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, সদস্য টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর স্বার্থ ও পেশাগত মর্যাদা রক্ষা এবং দেশের সম্প্রচার শিল্পের অগ্রযাত্রায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।’
— জি বাংলা ডেস্ক
সাধারণ সভার পর নির্বাচনের মাধ্যমে অ্যাটকোর নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়। নতুন কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন অঞ্জন চৌধুরী এবং মহাসচিব হয়েছেন আবদুস সালাম। এ ছাড়া সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কাজী জাহেদুল হাসান এবং কোষাধ্যক্ষ হয়েছেন জহিরুদ্দিন মাহমুদ মামুন। পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নাগরিক টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নাভিদুল হক।
আরও পড়ুন
কারাবন্দির পেট থেকে বের হলো অর্ধশতাধিক গ্যাস লাইটার, নেইল কাটার ও স্ক্রু
কমিটির অন্য পরিচালকরা হলেন মোস্তফা কামাল, আলহাজ মোহাম্মদ মোসাদ্দেক আলী, মো. জসিম উদ্দিন, মো. লিয়াকত আলী খান মুকুল, টিপু আলম মিলন, মো. হাসান, শামীম ইসলাম এবং সৈয়দ সামাদুল হক।
মূল বিষয়গুলি
- অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সের (অ্যাটকো) বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- রোববার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর বনানীর শেরাটন হোটেলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
- সভায় সংগঠনের বিগত সময়ের কার্যক্রম, সাংগঠনিক অগ্রগতি, আর্থিক প্রতিবেদন এবং দেশের টেলিভিশন সম্প্রচার খাতের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।
- সাধারণ সভার পর নির্বাচনের মাধ্যমে অ্যাটকোর নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়।
নতুন কমিটির নেতারা অ্যাটকোর কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, সদস্য টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর স্বার্থ ও পেশাগত মর্যাদা রক্ষা এবং দেশের সম্প্রচার শিল্পের অগ্রযাত্রায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
সভায় উপস্থিত সদস্যরাও সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেন।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।