মালয়েশিয়ায় পাচারের সময় নারীসহ ৯ জন উদ্ধার
কক্সবাজারের টেকনাফে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার সময় নারী ও অপ্রাপ্তবয়স্কসহ ৯ জনকে উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শনিবার (৭ নভেম্বর) রাতে টেকনাফের দক্ষিণ লম্বারীঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার ব্যক্তিদের মধ্যে একজন নারী ও দুজন অপ্রাপ্তবয়স্ক রয়েছেন।
রোববার সকালে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন-২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
‘তিনি জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি জানতে পারে, শনিবার রাতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন-২-এর অধীন সি-বিচ বিওপির দায়িত্বপূর্ণ দক্ষিণ লম্বারীঘাট এলাকা দিয়ে কয়েকজনকে জোরপূর্বক সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।’
— জি বাংলা ডেস্ক
তিনি জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি জানতে পারে, শনিবার রাতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন-২-এর অধীন সি-বিচ বিওপির দায়িত্বপূর্ণ দক্ষিণ লম্বারীঘাট এলাকা দিয়ে কয়েকজনকে জোরপূর্বক সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবির একটি বিশেষ টহল দল ওই এলাকায় কৌশলগত অবস্থান নেয়। পরে অভিযান চালিয়ে পাচারের শিকার হতে যাওয়া ৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন
শ্রমিক আন্দোলনে পোশাকশিল্পে উৎপাদন ব্যাহত, ক্রয়াদেশ কমার আশঙ্কা
উদ্ধার ব্যক্তিরা হলেন—আমির হোসেন (৪৫), মো. জীবন (১৯), জান্নাত আরা (১৭), আব্দুল খালেক (২৯), ফয়সল করিম (১৬), আরিফুল ইসলাম (২১), নুরুল ইসলাম (২২), আহমদ নবী (২৩) ও জাহিদ আলম (১৮)।
মূল বিষয়গুলি
- কক্সবাজারের টেকনাফে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার সময় নারী ও অপ্রাপ্তবয়স্কসহ ৯ জনকে উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
- শনিবার (৭ নভেম্বর) রাতে টেকনাফের দক্ষিণ লম্বারীঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের উদ্ধার করা হয়।
- রোববার সকালে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন-২ বিজিবির অধিনায়ক লে.
- তিনি জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি জানতে পারে, শনিবার রাতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন-২-এর অধীন সি-বিচ বিওপির দায়িত্বপূর্ণ দক্ষিণ লম্বারীঘাট এলাকা দিয়ে কয়েকজনকে…
বিজিবি অধিনায়ক জানান, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।