সন্ধ্যাকালীন টহল ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের নির্দেশ আরএমপি কমিশনারের
রাজশাহী মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সন্ধ্যাকালীন পুলিশি টহল জোরদার এবং অপরাধপ্রবণ এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, পিপিএম।
রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় আরএমপি সদর দপ্তরের সভাকক্ষে মহানগরীর সব পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও থানার জুনিয়র সেরেস্তার কনস্টেবলদের নিয়ে আয়োজিত এক পর্যালোচনা সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ কমিশনার।
সভায় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও থানার জুনিয়র সেরেস্তার কনস্টেবলরা দায়িত্ব পালনের সময় উদ্ভূত বিভিন্ন সমস্যা ও সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন। পুলিশ কমিশনার তাঁদের বক্তব্য শোনেন এবং উত্থাপিত সমস্যাগুলো সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
‘রাজশাহী মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সন্ধ্যাকালীন পুলিশি টহল জোরদার এবং অপরাধপ্রবণ এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, পিপিএম।’
— জি বাংলা ডেস্ক
সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ কমিশনার বলেন, মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ফাঁড়ি এবং থানার সদস্যদের আরও দায়িত্বশীল, সতর্ক ও তৎপর হতে হবে। বিশেষ করে সন্ধ্যাকালীন পুলিশি টহল জোরদারের পাশাপাশি অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে নিয়মিত নজরদারি বাড়াতে হবে।
আরও পড়ুন
বেতন বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, ৭ কারখানায় ছুটি
তিনি আরও বলেন, এলাকার মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও আস্থার পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় অপরাধ ও বিভিন্ন ধরনের অপতৎপরতা প্রতিরোধে কাজ করতে হবে। প্রতিটি পুলিশ ফাঁড়িতে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২৪ ঘণ্টা সেন্ট্রি দায়িত্ব পালন করবেন।
মূল বিষয়গুলি
- রাজশাহী মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সন্ধ্যাকালীন পুলিশি টহল জোরদার এবং অপরাধপ্রবণ এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন রাজ…
- রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় আরএমপি সদর দপ্তরের সভাকক্ষে মহানগরীর সব পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও থানার জুনিয়র সেরেস্তার কনস্টেবলদের নিয়ে আয়োজিত এক পর্যালোচনা সভায় ত…
- সভায় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও থানার জুনিয়র সেরেস্তার কনস্টেবলরা দায়িত্ব পালনের সময় উদ্ভূত বিভিন্ন সমস্যা ও সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন।
- সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ কমিশনার বলেন, মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ফাঁড়ি এবং থানার সদস্যদের আরও দায়িত্বশীল, সতর্ক ও তৎপর…
মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদারের নির্দেশ দিয়ে পুলিশ কমিশনার বলেন, শুধু মাদক কারবারি নয়, মাদকসেবীদেরও আইনের আওতায় এনে মাদকের বিস্তার রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
সভায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন, পেশাদারত্ব বজায় রাখা এবং জনসাধারণের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের মাধ্যমে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন তিনি।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম, অপস্ অ্যান্ড প্রসিকিউশন) মো. দেলোয়ার হোসেন, উপ-পুলিশ কমিশনার (ইঅ্যান্ডডি) মো. আবুল কালাম সাহিদ, উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) ও আরএমপির মুখপাত্র মো. গাজিউর রহমান, পিপিএমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।