কুণ্ডেরবাজার সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বেতকা ইউনিয়নের কুণ্ডেরবাজার সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেলে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সেতুটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে দেশব্যাপী পরিকল্পিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
টঙ্গীবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলী আসগর রিপন মল্লিকের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ।
‘সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ আলো।’
— জি বাংলা ডেস্ক
সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ আলো।
আরও পড়ুন
১০ ফুট দূরত্বে মাজার-মন্দির, সম্প্রীতির বন্ধন যুগ যুগ
এ ছাড়া বক্তব্য দেন টঙ্গীবাড়ী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি খান মনিরুল মনি পল্টন, সহসভাপতি আকতার হোসেন মোল্লা ও সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান ইকো।
মূল বিষয়গুলি
- <p>মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বেতকা ইউনিয়নের কুণ্ডেরবাজার সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।</p>
- <p>রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেলে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সেতুটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- <p>টঙ্গীবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলী আসগর রিপন মল্লিকের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
- <p>সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোহাম্মদ আব্দুল…
সমাবেশ সঞ্চালনা করেন বেতকা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কে এম জহিরুল ইসলাম লেলিন। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বাবুল।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।