১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?
দেশের বাজারে কয়েক দফা কমার পর আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়েছে। এতে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা।
গত শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। ওই দিন সকাল ১০টা থেকে নতুন দর কার্যকর হয়েছে। নতুন কোনো সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত ১৮ সেপ্টেম্বরও এই দামেই স্বর্ণ বিক্রি হবে।
বাজুসের নির্ধারিত নতুন মূল্য অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট হলমার্ক করা স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা।
‘২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা।’
— জি বাংলা ডেস্ক
এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ছিল ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা। সেখান থেকে ১২ সেপ্টেম্বর নতুন করে ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়ানো হয়।
আরও পড়ুন
কর্মক্ষম মানুষের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারছে না বাংলাদেশ: বিশ্বব্যাংক
বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বাড়ার পর সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দর পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে কার্যকর থাকবে।
মূল বিষয়গুলি
- দেশের বাজারে কয়েক দফা কমার পর আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম।
- গত শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়।
- বাজুসের নির্ধারিত নতুন মূল্য অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট হলমার্ক করা স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা।
- এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ছিল ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা।
তবে গহনার ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। বাজুসের নির্ধারিত স্বর্ণের দরের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকলেও গহনার চূড়ান্ত দামে মজুরি যোগ হতে পারে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।