বন্ধ গার্মেন্টস কারখানা শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বন্ধ পোশাক কারখানাগুলো শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সচিবালয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ে একটি আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আশা করি, এগুলো খুব শিগগিরই খোলার ব্যবস্থা হবে। কিছু দুষ্কৃতকারী হয়তো হামলা করতে চাইছে। কারণ, শ্রমিকদের যেসব দাবি-দাওয়া ছিল, আমরা সেগুলো পূরণ করেছি। মজুরি বোর্ড গঠন হয়েছে, তারা সন্তুষ্ট হয়েছে।’
‘এখন অস্থিরতা সৃষ্টির কোনো সুযোগ নেই।’ অস্থিরতা সৃষ্টির পরিকল্পনা ডিসেম্বরের জন্য ছিল কি না এবং গোয়েন্দা তৎপরতায় কোনো ঘাটতি ছিল কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এবং রাজনৈতিক হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য অত…’
— জি বাংলা ডেস্ক
তিনি বলেন, ‘গার্মেন্টস ও নিট খাতের শ্রমিক সংগঠনের প্রায় সব নেতা এবং বিকেএমইএ-সংশ্লিষ্ট শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে গতকাল আমরা কথা বলেছি। মালিকপক্ষের সঙ্গেও কথা বলেছি। সবাই সন্তুষ্ট। এখন ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের জন্য যে বোর্ড গঠন করা হয়েছে, সেই বোর্ডের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সেখানে তারা দর-কষাকষি করবেন। শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক হয়, এমন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের জন্য আমরাও আহ্বান জানিয়েছি। এ বিষয়ে আলাপ-আলোচনা সেখানেই হবে। এখন অস্থিরতা সৃষ্টির কোনো সুযোগ নেই।’
আরও পড়ুন
মিরপুরে সংঘর্ষের মধ্যে সড়কে আটকে শিশুরা, চোখেমুখে আতঙ্ক
অস্থিরতা সৃষ্টির পরিকল্পনা ডিসেম্বরের জন্য ছিল কি না এবং গোয়েন্দা তৎপরতায় কোনো ঘাটতি ছিল কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এবং রাজনৈতিক হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য অতীত ফ্যাসিবাদী শক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো কোনো মহল অস্থিরতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। আমরা এটা কঠোর হাতে দমন করব।’
মূল বিষয়গুলি
- বন্ধ পোশাক কারখানাগুলো শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।
- মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সচিবালয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ে একটি আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আশা করি, এগুলো খুব শিগগিরই খোলার ব্যবস্থা হবে।
- তিনি বলেন, ‘গার্মেন্টস ও নিট খাতের শ্রমিক সংগঠনের প্রায় সব নেতা এবং বিকেএমইএ-সংশ্লিষ্ট শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে গতকাল আমরা কথা বলেছি।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।