একরাতে রাশিয়ায় ১১০০ ড্রোন ছুড়ল ইউক্রেন
রাশিয়ায় রাতভর ১১০০টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করার দাবি করেছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে মস্কোমুখী ৪৫০টি ড্রোন ছিল বলে জানিয়েছেন রাজধানীর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন। হামলায় মস্কোর একটি তেল শোধনাগার ও আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রুশ কর্মকর্তারা জানান, দেশজুড়ে, ক্রিমিয়া ও কৃষ্ণসাগর এলাকায় ইউক্রেনের ড্রোন হামলা প্রতিহত করা হয়েছে। মস্কোর মেয়র বলেন, শনিবার থেকে রাজধানীর দিকে আসা ৪৫০টি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে। কয়েকটি ড্রোন মস্কোর তেল শোধনাগারের এলাকায় পৌঁছায় এবং একটি আবাসিক ভবনে আঘাত হানে।
রুশ কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, মস্কো অঞ্চলে হামলায় দুজন নিহত হয়েছেন। রামেনস্কি জেলায় একটি ২১ তলা আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হলে ৭০ শিশুসহ প্রায় ৪০০ বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
‘এদিকে রাশিয়ার ওপর ইউক্রেনের দূরপাল্লার ড্রোন হামলা এবং ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোয় রুশ হামলা—দুই পক্ষের মধ্যেই সাম্প্রতিক সময়ে বেড়েছে।’
— আন্তর্জাতিক ডেস্ক
সোবিয়ানিন এ হামলাকে মস্কোর ওপর এ ধরনের ‘সবচেয়ে বড়’ হামলা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর দাবি, হামলার উদ্দেশ্য ছিল সংসদীয় নির্বাচনের শেষ দিনের ভোটগ্রহণ ব্যাহত করা। তবে তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সেই উদ্দেশ্য সফল হয়নি। ইউক্রেন এখনো এ হামলার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।
আরও পড়ুন
স্ত্রীকে হত্যার পর কাটা মাথা নিয়ে মন্দিরে স্বামী
এ হামলা রাশিয়ার সংসদীয় নির্বাচনের তৃতীয় ও শেষ দিনে ঘটে। ২০২২ সালে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরুর পর এটিই রাশিয়ার প্রথম সংসদীয় নির্বাচন। ৪৫০ আসনের স্টেট দুমার নির্বাচনে ভোট হচ্ছে তিন দিন ধরে।
মূল বিষয়গুলি
- রাশিয়ায় রাতভর ১১০০টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করার দাবি করেছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
- রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রুশ কর্মকর্তারা জানান, দেশজুড়ে, ক্রিমিয়া ও কৃষ্ণসাগর এলাকায় ইউক্রেনের ড্রোন হামলা প্রতিহত করা হয়েছে।
- রুশ কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, মস্কো অঞ্চলে হামলায় দুজন নিহত হয়েছেন।
- সোবিয়ানিন এ হামলাকে মস্কোর ওপর এ ধরনের ‘সবচেয়ে বড়’ হামলা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
রাশিয়া ইউক্রেনের দখল করা চারটি অঞ্চলেও ভোটগ্রহণ করছে। ক্রিমিয়াতেও ভোট হচ্ছে। ইউক্রেন এসব এলাকায় রাশিয়ার আয়োজিত ভোটকে অবৈধ বলে নিন্দা জানিয়েছে।
এদিকে রাশিয়ার ওপর ইউক্রেনের দূরপাল্লার ড্রোন হামলা এবং ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোয় রুশ হামলা—দুই পক্ষের মধ্যেই সাম্প্রতিক সময়ে বেড়েছে। মস্কোর তেল শোধনাগারটি এর আগেও হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।