জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ইস্যুতে আইএমএফের শর্ত নেই: তথ্য উপদেষ্টা
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কোনো শর্ত নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলনকক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতও জানিয়েছিলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোতে জ্বালানি পাচার ঠেকানো, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি অব্যাহত রাখার স্বার্থে সরকার জ্বালানির দাম সমন্বয় করেছে।
‘জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, বৈশ্বিক বৈষম্য এবং মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চ…’
— জি বাংলা ডেস্ক
সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে ডিজেল ১১৫, পেট্রোল ১৪০, অকটেন ১৪৫ ও কেরোসিন ১৩৫ টাকা ছিল।
আরও পড়ুন
নয়াপল্টন থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, নেতাকর্মীদের সঙ্গে হেঁটে র্যালি করলেন তারেক রহমান
জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি
মূল বিষয়গুলি
- জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কোনো শর্ত নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা.
- মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলনকক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ…
- এর আগে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতও জানিয়েছিলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোতে জ্বালানি পাচার ঠেকানো, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি এব…
- সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, বৈশ্বিক বৈষম্য এবং মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের সভায় অংশ নেবেন।
২৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক দাতব্য ও মানবিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। পরে ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, নরওয়ে ও স্পেনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বৈশ্বিক বৈষম্য সংকট মোকাবিলাবিষয়ক সভায় বক্তব্য দেবেন। একই দিন জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড দ্য জাস্ট ট্রানজিশন’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সভায় অংশ নেবেন।
রোহিঙ্গা সংকটকে প্রধানমন্ত্রীর সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে জাহেদ উর রহমান বলেন, ২৩ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আয়োজিত একটি সাইড ইভেন্টে প্রধানমন্ত্রী অংশ নেবেন। সেখানে মিয়ানমারে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইবেন তিনি।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকটের কারণে বাংলাদেশের ওপর অর্থনৈতিক ও অন্যান্য চাপ বাড়ছে। জাতিসংঘের এবারের অধিবেশনে এ সংকটে আন্তর্জাতিক মনোযোগ আরও জোরদারের বিষয়টি তুলে ধরবে বাংলাদেশ।
এ ছাড়া জলবায়ু-সংক্রান্ত বৈঠকে জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, ক্ষয়ক্ষতি এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।