১০ই অক্টোবর, শনিবার, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২৫শে আশ্বিন, শরৎকাল, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ২৯শে রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি
ডিএসই শেয়ারবাজার
DSEX: ৫,৪১৩.০৪ +৭১.৪১ | DS30: ২,০৬৮.৬৩ +৩১.০১ | লেনদেন: ৬,৪৫৪.৩৫ কোটি টাকা | স্বর্ণের দর: ২,২৯,০৮১ টাকা | ইউএস ডলার: ১২০.৫০ +০.১৫ | DSEX: ৫,৪১৩.০৪ +৭১.৪১
আইন আদালত

১৮০ দিনে বিচার না হলেও নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা বাতিল হবে না: হাইকোর্ট

১৮০ দিনে বিচার না হলেও নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা বাতিল হবে না: হাইকোর্ট
ছবি: সংগৃহীত

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় নির্ধারিত ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ না হলে শুধু এ কারণে মামলার বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত বা বাতিল হবে না বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, ১৮০ দিনের সময়সীমা বাধ্যতামূলক নয়, বরং নির্দেশনামূলক। ফলে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও মামলার বিচারপ্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে আইনি বাধা নেই।

‘মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে পাভেল বনাম রাষ্ট্র’ মামলায় এ রায় দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ২০২৩ সালের ৭ জুন রায়টি দেন। সম্প্রতি রায়ের অনুলিপি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

রায়ে আদালত বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ২০ ও ৩১ক ধারা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ না হওয়ার কারণে মামলার বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত বা বাতিল করার কোনো বিধান নেই। ফলে এ সময়সীমা অতিক্রম করলেই বিচারপ্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে অকার্যকর হয়ে যাবে না।

‘রায়ে আদালত বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ২০ ও ৩১ক ধারা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ না হওয়ার কারণে মামলার বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত বা বাতিল করার কোনো বিধান নেই।’

— জি বাংলা ডেস্ক

আদালত আরও বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিচার শেষ করা সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব। তবে সময়সীমা পার হয়ে গেলে মামলার বিচার বন্ধ হয়ে যাবে—আইনে এমন কোনো পরিণতি নির্ধারণ করা হয়নি।

আরও পড়ুন জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলায় সেই মোতাহার ফের রিমান্ডে জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলায় সেই মোতাহার ফের রিমান্ডে আইন আদালত ৪ ঘণ্টা আগে

মামলার পটভূমি

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে দিন

আপনার পণ্য বা সেবার প্রচারে যোগাযোগ করুন

মূল বিষয়গুলি

  • নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় নির্ধারিত ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ না হলে শুধু এ কারণে মামলার বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত বা বাতিল হবে না বলে রায় দিয়েছেন হা…
  • রায়ে আদালত বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ২০ ও ৩১ক ধারা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ না হওয়ার কারণে মামলার বিচারিক কার্যক্রম…
  • আদালত আরও বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিচার শেষ করা সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব।
  • রায়ের বিবরণ অনুযায়ী, ইডেন কলেজের এক ছাত্রীর সঙ্গে পরিচয়ের সূত্রে মো.

রায়ের বিবরণ অনুযায়ী, ইডেন কলেজের এক ছাত্রীর সঙ্গে পরিচয়ের সূত্রে মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে পাভেলের ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। ২০০৭ সালের ৮ জুলাই একটি বাসায় নিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। পরে একাধিকবার ধর্ষণের ফলে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হন এবং পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তাকে জোরপূর্বক গর্ভপাত করানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়।

এ ঘটনায় ২০০৮ সালের ২৭ জানুয়ারি রাজধানীর শ্যামপুর থানায় পাভেলসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগীর মা। তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযোগপত্র দেয়। পরে মামলাটি ঢাকার ১ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারের জন্য পাঠানো হয়। ২০০৮ সালের ২৩ জুলাই পাভেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। তবে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে অভিযোগ অস্বীকার করেন।

পরে পাভেল ২০১১ সালের ৮ মে হাইকোর্টে রিট করেন। তার দাবি ছিল, ট্রাইব্যুনালে মামলার নথি গ্রহণের পর ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ হয়নি। এ কারণে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ২০ ও ৩১ক ধারা অনুযায়ী বিচারিক কার্যক্রম আর চলতে পারে না।

রিটের পর হাইকোর্ট মামলার বিচারিক কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন। পরে ওই স্থগিতাদেশ বিভিন্ন সময়ে বাড়ানো হয়।

হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত

উভয় পক্ষের বক্তব্য এবং আইনের সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো পর্যালোচনা করে হাইকোর্ট রিটের পরিপ্রেক্ষিতে জারি করা রুল খারিজ করে দেন। একই সঙ্গে আগে দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার ও বাতিল করা হয়।

রায়ে আদালত রিটকারী পাভেলের উপস্থাপিত তথ্য ও মামলার পরবর্তী কার্যক্রম গোপন করার বিষয়ে বিরূপ পর্যবেক্ষণও দেন। আদালত বলেন, বিচারিক কার্যক্রম স্থগিতের পক্ষে উপস্থাপিত যুক্তিতে রিটকারীর কোনো মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়নি এবং তার পক্ষে এ বিষয়ে কোনো আইনগত অধিকারও সৃষ্টি হয়নি।

ফলে ১৮০ দিনের সময়সীমা অতিক্রম করলেও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার বিচারিক কার্যক্রম চলতে থাকবে—এ বিষয়ে আইনি অবস্থান স্পষ্ট করেছেন হাইকোর্ট।

আইন আদালত থেকে আরও

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তাররাজধানীর খিলগাঁওয়ের দক্ষিণ গোড়ান এলাকা থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহসম্পাদক তানভীর আহমেদ রাকিবকে (৪৬) গ্রেপ্তার করেছে… ৬ দিন আগে ট্রাইব্যুনালে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন আওয়ামীপন্থী দুই আইনজীবী ট্রাইব্যুনালে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন আওয়ামীপন্থী দুই আইনজীবীমানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ডের রায়কে ‘ক্যাঙারু কোর্টের রায়’ আখ্যা দিয়ে… ১২ দিন আগে ঢাবিতে গেজেটবঞ্চিতদের অনশন থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৪ নেতা আটক ঢাবিতে গেজেটবঞ্চিতদের অনশন থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৪ নেতা আটকঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের সামনে ৪৫তম বিসিএসে গেজেটবঞ্চিতদের অনশন কর্মসূচি থেকে নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের… ১৫ দিন আগে হাসানাত আবদুল্লাহসহ ৪ আসামিকে তদন্ত কর্মকর্তার জেরা ২৯ অক্টোবর হাসানাত আবদুল্লাহসহ ৪ আসামিকে তদন্ত কর্মকর্তার জেরা ২৯ অক্টোবরবরিশালে ২০১৫ সালে ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে ‘ক্রসফায়ারের’ নামে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ও তদন্ত… ১৯ দিন আগে

মন্তব্য (৩)

  • রা
    রাহাত মিয়া২ ঘণ্টা আগে

    ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।

  • সু
    সুমাইয়া আক্তার৫ ঘণ্টা আগে

    দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।

  • তা
    তানভীর হোসেন৮ ঘণ্টা আগে

    সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

বঞ্চনামূলক বা ঘৃণ্য ভাষা ব্যবহার করে মন্তব্য দিলে তা প্রত্যাখ্যাত হবে।
সংবাদ সংক্ষেপে

১৮০ দিনে বিচার না হলেও নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা বাতিল হবে না: হাইকোর্ট

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৩৬ এএম · আইন আদালত

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় নির্ধারিত ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ না হলে শুধু এ কারণে মামলার বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত বা বাতিল হবে না বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, ১৮০ দিনের সময়সীমা বাধ্যতামূলক নয়, বরং নির্দেশনামূলক। ফলে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও মামলার বিচারপ্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে আইনি বাধা নেই।

ফটোকার্ড

১৮০ দিনে বিচার না হলেও নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা বাতিল হবে না: হাইকোর্ট

১৮০ দিনে বিচার না হলেও নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা বাতিল হবে না: হাইকোর্ট

১৮০ দিনে বিচার না হলেও নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা বাতিল হবে না: হাইকোর্ট

শিরোনাম