স্বাস্থ্যখাতের বাজেটের সুফল পৌঁছাতে হবে রোগীর দোরগোড়ায়: এমপি শফিকুল ইসলাম মিলন
রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. শফিকুল ইসলাম মিলন বলেছেন, স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি তখনই অর্থবহ হবে, যখন তার সুফল শহরের পাশাপাশি গ্রামের প্রত্যন্ত এলাকার সাধারণ মানুষের কাছেও পৌঁছাবে। শুধু বাজেট বাড়ালেই দায়িত্ব শেষ হয় না; বরাদ্দের প্রতিটি টাকা যেন মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ব্যয় হয়, সে বিষয়ে জবাবদিহিও নিশ্চিত করতে হবে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুর ১২টায় পবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এমপি মিলন বলেন, একটি দেশের উন্নয়ন শুধু সেতু, সড়ক কিংবা বড় বড় অবকাঠামো নির্মাণে সীমাবদ্ধ নয়। প্রকৃত উন্নয়নের মানদণ্ড হলো সাধারণ মানুষ কত সহজে, দ্রুত ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে দেশের স্বাস্থ্যখাত অবহেলা, অনিয়ম ও দুর্নীতির শিকার হয়েছে। বিপুল অর্থ ব্যয়ে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও তার সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছেনি।
‘এ ছাড়া পবা উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আব্দুর রাজ্জাক, নওহাটা পৌরসভার সাবেক মেয়র শেখ মকবুল হোসেন, কর্ণহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।’
— জি বাংলা ডেস্ক
তিনি বলেন, উপজেলা ও জেলা হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক ও নার্সের সংকট, ওষুধের ঘাটতি, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের অকার্যকারিতা এবং ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতার কারণে রোগীদের দুর্ভোগ বেড়েছে।
আরও পড়ুন
রাজধানীর কালশীতে ককটেল বিস্ফোরণ
সংসদ সদস্য আরও বলেন, বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যখাতকে শক্তিশালী করতে কাজ করছে। ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ খাতে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১ দশমিক ২ শতাংশ। সরকারের লক্ষ্য ধাপে ধাপে এ বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করা, যাতে দেশের প্রতিটি মানুষ সাশ্রয়ী ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারেন।
মূল বিষয়গুলি
- রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড.
- মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুর ১২টায় পবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
- এমপি মিলন বলেন, একটি দেশের উন্নয়ন শুধু সেতু, সড়ক কিংবা বড় বড় অবকাঠামো নির্মাণে সীমাবদ্ধ নয়।
- তিনি বলেন, উপজেলা ও জেলা হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক ও নার্সের সংকট, ওষুধের ঘাটতি, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের অকার্যকারিতা এবং ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতার কারণে রোগীদের দু…
তিনি বলেন, বাজেট বৃদ্ধির পাশাপাশি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে চিকিৎসক ও নার্সের শূন্যপদ দ্রুত পূরণ, প্রয়োজনীয় ওষুধের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের কার্যকর ব্যবহার এবং হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। স্বাস্থ্যসেবায় কোনো ধরনের দুর্নীতি, অনিয়ম বা অবহেলার সুযোগ নেই।
অ্যাড. শফিকুল ইসলাম মিলন আরও বলেন, একটি হাসপাতালের সাফল্য শুধু অবকাঠামো নির্মাণে নয়; রোগী কত দ্রুত, আন্তরিকতা ও সম্মানের সঙ্গে চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটিকে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।
সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পবা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহীর সিভিল সার্জন ডা. এসআইএম রাজিউল করিম।
এ ছাড়া পবা উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আব্দুর রাজ্জাক, নওহাটা পৌরসভার সাবেক মেয়র শেখ মকবুল হোসেন, কর্ণহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।