শূন্য ঘোষিত সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত এলিজা জামান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শূন্য ঘোষিত সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী এলিজা জামান। সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয় থেকে এ-সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
নির্বাচন ব্যবস্থাপনা-২ অনুবিভাগের যুগ্মসচিব মো. মঈন উদ্দীন খানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শূন্য ঘোষিত ৩২৩ নম্বর মহিলা আসন-২৩-এর উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৪টা পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জোটের মনোনীত প্রার্থী এলিজা জামান মনোনয়নপত্র জমা দেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এলিজা জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। পরে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময় গত রোববার (১ নভেম্বর) বিকেল ৪টা পর্যন্ত তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।
‘মঈন উদ্দীন খানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শূন্য ঘোষিত ৩২৩ নম্বর মহিলা আসন-২৩-এর উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৪টা পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জোটের মনোনীত প্রার্থী এলিজা জামান…’
— জি বাংলা ডেস্ক
এ অবস্থায় জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪-এর ১২ ধারার উপধারা (১) অনুযায়ী চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় এলিজা জামানের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। ফলে ওই আসনে অন্য কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
আরও পড়ুন
পোশাকশিল্পে অস্থিরতা: সরকারকে যে পরামর্শ দিলেন জামায়াত আমির
মূল বিষয়গুলি
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শূন্য ঘোষিত সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী এলিজা জামান।
- নির্বাচন ব্যবস্থাপনা-২ অনুবিভাগের যুগ্মসচিব মো.
- বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এলিজা জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।
- এ অবস্থায় জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪-এর ১২ ধারার উপধারা (১) অনুযায়ী চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় এলিজা জামানের নাম প্রকাশ করা হয়েছে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।