দেশজুড়ে বাজার তদারকিতে ১১৯ প্রতিষ্ঠানকে ১১ লাখ টাকা জরিমানা
গরুর মাংস, পোল্ট্রিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী বিশেষ তদারকি অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এ অভিযানে ৪০টি জেলায় ১১৯টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১১ লাখ ৩১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) ঢাকা মহানগরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় অধিদপ্তরের ৫৪টি দল একযোগে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
অভিযানে গরুর মাংস ও পোল্ট্রির দাম, ওজন পরিমাপক যন্ত্র, সরবরাহব্যবস্থা, পণ্যের গুণগত মান এবং প্রক্রিয়াকরণের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করা হয়। পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য ও সরবরাহ পরিস্থিতি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন, নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি, ওজন ও পরিমাপে কারচুপি, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ও ওষুধ বিক্রি এবং নকল ও ভেজাল পণ্যের উৎপাদন ও বিক্রি প্রতিরোধে তদারকি করা হয়। হোটেল-রেস্তোরাঁয় সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান মানা হচ্ছে কি না, তাও পর্যবেক্ষণ করা হয়।
‘পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য ও সরবরাহ পরিস্থিতি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন, নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি, ওজন ও পরিমাপে কারচুপি, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ও ওষুধ বিক্রি এবং নকল ও ভেজাল পণ্যের উৎপাদন ও বিক্রি প্রতিরোধে তদারক…’
— জি বাংলা ডেস্ক
অভিযানকালে ব্যবসায়ীদের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অযৌক্তিকভাবে পণ্য মজুদ এবং সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা তৈরি থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে দৃশ্যমান স্থানে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং সঠিক ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিত করতে সতর্ক করা হয়।
আরও পড়ুন
ঘুসসহ আটক লালবাগ রাজস্ব সার্কেলের সার্ভেয়ার
জনসচেতনতা বাড়াতে ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে লিফলেট ও প্রচারপত্র বিতরণ করা হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, স্বাস্থ্য পরিদর্শক, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এবং সংশ্লিষ্ট শিল্প ও বণিক সমিতির প্রতিনিধিরা অভিযানে সহযোগিতা করেন।
মূল বিষয়গুলি
- গরুর মাংস, পোল্ট্রিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী বিশেষ তদারকি অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধ…
- সোমবার (২ নভেম্বর) ঢাকা মহানগরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় অধিদপ্তরের ৫৪টি দল একযোগে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করে।
- অভিযানে গরুর মাংস ও পোল্ট্রির দাম, ওজন পরিমাপক যন্ত্র, সরবরাহব্যবস্থা, পণ্যের গুণগত মান এবং প্রক্রিয়াকরণের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করা হয়।
- অভিযানকালে ব্যবসায়ীদের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অযৌক্তিকভাবে পণ্য মজুদ এবং সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা তৈরি থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
ভোক্তাদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত পণ্য কিনে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি না করার পরামর্শ দিয়েছে অধিদপ্তর। পণ্য কেনার আগে মূল্যতালিকা, সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ যাচাই করার পাশাপাশি সঠিক ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। কেনাকাটার সময় বিক্রেতার কাছ থেকে ভাউচার সংগ্রহ করতেও অনুরোধ করা হয়েছে।
পণ্য কেনার ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম বা প্রতারণার শিকার হলে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১ নম্বরে অভিযোগ জানাতে বলা হয়েছে।
বাজারে শৃঙ্খলা, ন্যায্যমূল্য ও পণ্যের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।





মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।