সকালে হেলিকপ্টারে মোংলা, পরে সড়ক পথে খুলনা যাবেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন। সফরের শুরুতে সকাল ৯টায় ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে মোংলায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে তাঁর।
সেখানে নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে সড়কপথে খুলনায় যাবেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় বাগেরহাট জেলা সদরে হজরত খান জাহান আলীর (রহ.) মাজার জিয়ারতেরও কর্মসূচি রয়েছে তাঁর।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর মোংলায় দুটি এবং খুলনায় একটি নির্ধারিত কর্মসূচি রয়েছে। এ ছাড়া বাগেরহাটে হজরত খান জাহান আলীর (রহ.) মাজার জিয়ারত করবেন তিনি। মোংলার কর্মসূচি শেষ করে সড়কপথে খুলনায় পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী।
‘এবারই প্রথম কোনো সরকারপ্রধানের আগমন উপলক্ষে খুলনায় যত্রতত্র তোরণ, ব্যানার ও ফেস্টুন দেখা যাচ্ছে না বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।’
— জি বাংলা ডেস্ক
খুলনা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সারা দেশে তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে।
আরও পড়ুন
৭ নভেম্বরের ছুটি নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা
এদিকে খুলনায় প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে নেতাকর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও উচ্ছ্বসিত। প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে পুরো শহর পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে।
মূল বিষয়গুলি
- প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন।
- সেখানে নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে সড়কপথে খুলনায় যাবেন প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
- খুলনা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
জেলা স্টেডিয়াম ও আশপাশের সড়ক নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের রঙিন ব্যানার-ফেস্টুনে সাজানো হয়েছে। শিববাড়ী মোড় থেকে রেলস্টেশনের প্রধান ফটক পর্যন্ত দেয়ালে আঁকা হয়েছে নানা গ্রাফিতি।
এসব গ্রাফিতিতে তুলে ধরা হয়েছে খুলনার ইতিহাস ও ঐতিহ্য। এতে স্থান পেয়েছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রতিকৃতি, সুন্দরবন ও রয়েল বেঙ্গল টাইগারের ছবি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে লাগানো সব তোরণ ও বিলবোর্ড খুলে ফেলা হয়েছে। সরিয়ে নেওয়া হয়েছে নেতাকর্মীদের লাগানো ফেস্টুনও। এবারই প্রথম কোনো সরকারপ্রধানের আগমন উপলক্ষে খুলনায় যত্রতত্র তোরণ, ব্যানার ও ফেস্টুন দেখা যাচ্ছে না বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে খুলনা মহানগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থা।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।