প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০ ইউপিতে নির্বাচন, থাকছে না ইভিএম
আগামী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের প্রথম ধাপে দেশের ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়নে ভোট গ্রহণের পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে আসন্ন নির্বাচনসহ ভবিষ্যতে কোনো নির্বাচনেই ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার না করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।
রোববার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি বলেন, ইউপি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে কমিশনের কার্যক্রম চলছে। প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে উপজেলা সদরের আওতাধীন ইউনিয়নগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা ভাবছে কমিশন।
‘তবে আসন্ন নির্বাচনসহ ভবিষ্যতে কোনো নির্বাচনেই ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার না করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।’
— জি বাংলা ডেস্ক
ইভিএম ব্যবহারের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আখতার আহমেদ জানান, ভবিষ্যতে আর কোনো নির্বাচনে এই যন্ত্র ব্যবহার করা হবে না। তবে নির্বাচন কমিশনের সংরক্ষণে থাকা ইভিএমগুলো কীভাবে বাতিল বা নষ্ট করা হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
আরও পড়ুন
এসআরবির মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ফারুক আহমেদ
এদিকে নাগরিকদের উন্নত সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে তথ্য সংগ্রহের পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন। এ জন্য ছয় বছর বয়স থেকেই নাগরিকদের বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান ইসি সচিব।
মূল বিষয়গুলি
- আগামী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের প্রথম ধাপে দেশের ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়নে ভোট গ্রহণের পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
- রোববার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
- তিনি বলেন, ইউপি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে কমিশনের কার্যক্রম চলছে।
- ইভিএম ব্যবহারের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আখতার আহমেদ জানান, ভবিষ্যতে আর কোনো নির্বাচনে এই যন্ত্র ব্যবহার করা হবে না।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।