১৯ নভেম্বর লালমনিরহাট যাবেন প্রধানমন্ত্রী
আগামী ১৯ নভেম্বর ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ সামাজিক আন্দোলনের কার্যক্রম সরেজমিনে দেখতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লালমনিরহাট সফর করবেন বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
তিনি বলেন, এই আন্দোলনের মাধ্যমে লালমনিরহাট জেলাকে মাদক, জুয়া, ক্যাসিনো, যৌতুক ও বাল্যবিবাহমুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে জেলাটি সারা দেশের জন্য একটি রোল মডেল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) রাতে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার সাহেবডাঙা স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
‘বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হক ও পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আখতার প্রমুখ।’
— জি বাংলা ডেস্ক
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, এটি কোনো রাজনৈতিক আন্দোলন নয়। জেলা থেকে শুরু করে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের কমিটিতে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তি, শিক্ষক, ইমাম, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, খেলোয়াড় ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা যুক্ত রয়েছেন।
আরও পড়ুন
জবি শিক্ষার্থী জোবায়েদ হত্যা: তিন আসামির বিচার শুরু
তিনি বলেন, গত ৪ জুলাই রাষ্ট্রপতি এই নবযাত্রার উদ্বোধন করেছিলেন। চার মাসের মাথায় প্রধানমন্ত্রী সরেজমিনে লালমনিরহাটে এসে কর্মসূচির বাস্তবায়ন দেখবেন। বাংলাদেশে এমন কোনো কর্মসূচি বা আন্দোলন নেই, যেখানে রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধান উভয়েই সরাসরি যুক্ত রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী এই কর্মসূচি নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন। সেটি অন্যান্য জেলার সংসদ সদস্যদের দেখিয়ে সারা দেশে কর্মসূচিটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
মূল বিষয়গুলি
- আগামী ১৯ নভেম্বর ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ সামাজিক আন্দোলনের কার্যক্রম সরেজমিনে দেখতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লালমনিরহাট সফর করবেন বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা…
- তিনি বলেন, এই আন্দোলনের মাধ্যমে লালমনিরহাট জেলাকে মাদক, জুয়া, ক্যাসিনো, যৌতুক ও বাল্যবিবাহমুক্ত করা হবে।
- শনিবার (৭ নভেম্বর) রাতে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার সাহেবডাঙা স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
- ত্রাণমন্ত্রী বলেন, এটি কোনো রাজনৈতিক আন্দোলন নয়।
‘জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই’ আন্দোলনের সাফল্য তুলে ধরে ত্রাণমন্ত্রী বলেন, এই আন্দোলনের কারণে দেশ-বিদেশে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে চীন, নেদারল্যান্ডস ও ভারত যৌথভাবে তিস্তা এলাকায় কাজ করতে আগ্রহী। প্রধানমন্ত্রীও এ বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক। ২০২৭ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে তিস্তা মহাপরিকল্পনার মূল কাজ শুরু করা হবে।
সামাজিক অবক্ষয় ও নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বড় ভবন বা স্কুল নির্মাণ করলেই শিক্ষার উদ্দেশ্য সফল হয় না, যদি সেই স্কুলের মাঠে মাদক সেবন করা হয়। পোশাকের চেয়ে চরিত্রের সৌন্দর্যের গুরুত্ব বেশি উল্লেখ করে তিনি স্বেচ্ছাসেবকদের নীতিবোধ ও আদর্শের ভিত্তিতে সমাজ পুনর্গঠনে কাজ করার নির্দেশনা দেন।
পাটগ্রামের সাহেবডাঙা স্টেডিয়াম মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রধান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হক ও পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আখতার প্রমুখ।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।