ক্যানসার চিকিৎসায় ইংল্যান্ডের যুগান্তকারী উদ্যোগ
ইংল্যান্ডের চিকিৎসাব্যবস্থায় ক্যানসার শনাক্তে নতুন এক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সাধারণ চিকিৎসকরা (জিপি বা ফ্যামিলি ডক্টর) রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে কয়েক ধরনের ক্যানসার দ্রুত ও সহজে শনাক্ত করতে পারেন কি না, তা যাচাই করতে দেশটিতে প্রথমবারের মতো একটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে রোগীদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা এবং বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বাড়ানোর বিষয়টিও পরীক্ষা করা হবে।
বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় বিশেষ এই রক্ত পরীক্ষার পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে। পরীক্ষাটির মাধ্যমে রক্তে বিভিন্ন ক্যানসারের সম্ভাব্য লক্ষণ শনাক্ত করার পাশাপাশি শরীরের কোন অংশে ক্যানসার থাকতে পারে, সে সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যাবে।
বিশ্বের প্রথম এই ট্রায়ালের মূল উদ্দেশ্য হলো, সাধারণ চিকিৎসকেরা জটিল ও দীর্ঘ প্রক্রিয়া ছাড়াই একটি সহজ রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে—এমন রোগীদের দ্রুত শনাক্ত করতে পারেন কি না, তা যাচাই করা।
‘বিশ্বের প্রথম এই ট্রায়ালের মূল উদ্দেশ্য হলো, সাধারণ চিকিৎসকেরা জটিল ও দীর্ঘ প্রক্রিয়া ছাড়াই একটি সহজ রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে—এমন রোগীদের দ্রুত শনাক্ত করতে পারেন কি না, তা যাচাই করা।’
— জি বাংলা ডেস্ক
উল্লেখ্য, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা (ওইসিডি)ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ইংল্যান্ডে মাথাপিছু ক্যানসারজনিত মৃত্যুহার অন্যতম বেশি।
আরও পড়ুন
গভীর রাতে কুকুর কেন কাঁদে? কুসংস্কার নয়, রয়েছে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা
যেসব ক্যানসার নিয়ে কাজ হবে
মূল বিষয়গুলি
- ইংল্যান্ডের চিকিৎসাব্যবস্থায় ক্যানসার শনাক্তে নতুন এক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় বিশেষ এই রক্ত পরীক্ষার পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে।
- বিশ্বের প্রথম এই ট্রায়ালের মূল উদ্দেশ্য হলো, সাধারণ চিকিৎসকেরা জটিল ও দীর্ঘ প্রক্রিয়া ছাড়াই একটি সহজ রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে—এমন রোগী…
- উল্লেখ্য, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা (ওইসিডি)ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ইংল্যান্ডে মাথাপিছু ক্যানসারজনিত মৃত্যুহার অন্যতম বেশি।
এই ট্রায়ালে মূলত পেটের অভ্যন্তরীণ অঙ্গের কয়েক ধরনের ক্যানসার শনাক্তের বিষয়টি গুরুত্ব পাবে। এর মধ্যে রয়েছে—
প্রোস্টেট ক্যানসার
ডিম্বাশয়ের ক্যানসার
কোলন বা অন্ত্রের ক্যানসার
অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার
পাকস্থলীর ক্যানসার
যকৃতের ক্যানসার
সাধারণত এসব ক্যানসার দেরিতে শনাক্ত হয়। ফলে রোগীর চিকিৎসা জটিল হয়ে পড়ে।
ট্রায়ালের পরিধি ও প্রক্রিয়া
ইংল্যান্ডের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের (এনএইচএস) অন্তত ২০০টি জিপি প্র্যাকটিস বা চিকিৎসাকেন্দ্র এই ট্রায়ালে অংশ নেবে। এতে ২০ হাজারের বেশি রোগীকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
৪৫ বছর বা তার বেশি বয়সী কোনো রোগী পেট ফাঁপা বা দীর্ঘস্থায়ী অস্বস্তির মতো উপসর্গ নিয়ে জিপির কাছে গেলে তাঁকে এই ট্রায়ালে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হতে পারে।
রক্ত পরীক্ষাটির কার্যকারিতা যাচাইয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি এবং রক্তে থাকা বিভিন্ন প্রোটিনের মাত্রা পরিমাপের মতো পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে। চিকিৎসকদের নিজস্ব অভিজ্ঞতার পাশাপাশি পরীক্ষাটি ক্যানসার শনাক্তে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, তা মূল্যায়ন করা হবে।
ট্রায়ালের ফলাফল সফল হলে পরবর্তী সময়ে পুরো ইংল্যান্ডে পরীক্ষাটি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
সূত্র: সামা টিভি






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।