হেডের সেঞ্চুরির ম্যাচে কখনো হারেনি অস্ট্রেলিয়া
জিততে হলে রেকর্ড গড়তে হতো জিম্বাবুয়েকে। হারারেতে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়া যে ৩৫৬ রানের দলীয় সর্বোচ্চ স্কোর গড়েছিল, সেটি টপকানো ছিল স্বাগতিকদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ। শেষ পর্যন্ত ৮৪ রানে হেরে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
৩৫৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২৭২ রানে থেমেছে জিম্বাবুয়ের ইনিংস। দলের প্রথম আট ব্যাটারই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছালেও কেউ ফিফটির দেখা পাননি। অধিনায়ক সিকান্দার রাজা সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন। অস্ট্রেলিয়ার চার বোলার দুটি করে উইকেট নেন।
এর আগে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসকে বড় সংগ্রহ এনে দেন ট্রাভিস হেড। বাঁহাতি ওপেনার ১১২ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার কোনো ব্যাটারের দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন তিনি—মাত্র ৭৫ বলে তিন অঙ্কে পৌঁছান হেড।
‘হারারেতে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়া যে ৩৫৬ রানের দলীয় সর্বোচ্চ স্কোর গড়েছিল, সেটি টপকানো ছিল স্বাগতিকদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।’
— স্পোর্টস ডেস্ক
তিন দিন আগে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি করেছিলেন ম্যাট রেনশ। ৮৬ বলে সেঞ্চুরি করে গড়া সেই রেকর্ড এবার ভেঙে দিলেন হেড।
আরও পড়ুন
অনুশীলনে অঘটন, ভারত সিরিজের আগে আরও এক দুঃসংবাদ নিউজিল্যান্ডের
হেডের ইনিংসে ছিল ১৫টি চার ও ৩টি ছক্কা। ১৩৩.৩৩ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করে ম্যাচসেরার পুরস্কারও জিতেছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার ৩৫৬ রানের রেকর্ড স্কোরে ফিফটি পেয়েছেন মিচেল মার্শ ও কুপার কনোলি। মার্শ করেন ৫৩ রান, কনোলির ব্যাট থেকে আসে ৭৮ রান। জিম্বাবুয়ের হয়ে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন ব্র্যাড ইভান্স।
মূল বিষয়গুলি
- জিততে হলে রেকর্ড গড়তে হতো জিম্বাবুয়েকে।
- ৩৫৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২৭২ রানে থেমেছে জিম্বাবুয়ের ইনিংস।
- এর আগে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসকে বড় সংগ্রহ এনে দেন ট্রাভিস হেড।
- তিন দিন আগে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি করেছিলেন ম্যাট রেনশ।
হেডের সেঞ্চুরির সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের সম্পর্কটিও বেশ উল্লেখযোগ্য। তিন সংস্করণ মিলিয়ে এটি ছিল তার ২০তম আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি। হেড যে ম্যাচগুলোতে সেঞ্চুরি করেছেন, সেসব ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া কখনো হারেনি। এর মধ্যে একটি টেস্ট ম্যাচ ড্র হয়েছে, বাকি সব ম্যাচেই জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
হেডের ২০ সেঞ্চুরির মধ্যে ৮টি ওয়ানডেতে এবং ১২টি টেস্টে।
সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর। ম্যাচটিও হবে হারারেতেই।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।