অবৈধ অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আর্থিক লেনদেনে সতর্ক করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনহীন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘crossmarket.ai’-এর মাধ্যমে অবৈধভাবে বিনিয়োগ গ্রহণ ও আর্থিক লেনদেন পরিচালনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ অবস্থায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের এ ধরনের প্ল্যাটফর্মে অর্থ বিনিয়োগ ও লেনদেন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক বিশেষ সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ‘crossmarket.ai’ নামের প্ল্যাটফর্মটির মাধ্যমে অনুমোদনহীনভাবে বিনিয়োগ গ্রহণ ও আর্থিক লেনদেন পরিচালিত হচ্ছে। ‘পরিশোধ ও নিষ্পত্তি ব্যবস্থা আইন, ২০২৪’ অনুযায়ী অনুমোদিত নয়—এমন কোনো প্ল্যাটফর্মে অর্থ জমা বা লেনদেন করা দণ্ডনীয় অপরাধ।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, অননুমোদিত প্ল্যাটফর্মে লেনদেন করতে গিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীরাও অজান্তে আইনগত অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়তে পারেন। তাই নিজেদের কষ্টার্জিত অর্থ সুরক্ষিত রাখতে ‘crossmarket.ai’-সহ এ ধরনের যেকোনো অবৈধ ও অননুমোদিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বিনিয়োগ বা অন্য কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
‘বিএফআইইউর নজরে ৩১ অননুমোদিত অ্যাপ বিএফআইইউর নজরে আসা অনুমোদনহীন ঋণদাতা অ্যাপগুলোর মধ্যে রয়েছে—সাথী লোন, পপক্যাশ, ফিনক্যাশ, কুইক লোন, কুইক টাকা, ঢাকা ফিন, লোনভাইব, দোস্ত লোন, টাকা ক্যাশ লোন, কেওয়ানজা লোন, এসএসএইচ মানি, লোনবাডি, সাথি লোন, ক্যাশহোরো, আলো ক্যাশ, ফ…’
— জি বাংলা ডেস্ক
এ ছাড়া আর্থিক ক্ষতি এড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সতর্কতা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন
ডলারের পতনে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম
এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংক মোবাইল অ্যাপ, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক বিভিন্ন গ্রুপের মাধ্যমে পরিচালিত অনুমোদনহীন ঋণ কার্যক্রম থেকেও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়।
মূল বিষয়গুলি
- বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনহীন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘crossmarket.ai’-এর মাধ্যমে অবৈধভাবে বিনিয়োগ গ্রহণ ও আর্থিক লেনদেন পরিচালনার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
- সম্প্রতি প্রকাশিত এক বিশেষ সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ‘crossmarket.ai’ নামের প্ল্যাটফর্মটির মাধ্যমে অনুমোদনহীনভাবে বিনিয়োগ গ্রহণ ও আর্থিক লেনদ…
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, অননুমোদিত প্ল্যাটফর্মে লেনদেন করতে গিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীরাও অজান্তে আইনগত অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়তে পারেন।
- এ ছাড়া আর্থিক ক্ষতি এড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সতর্কতা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, সহজ শর্তে দ্রুত ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুমোদনহীন ঋণ কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) নজরে এসেছে। এসব অ্যাপ ব্যবহারকারীদের মোবাইল ফোনে থাকা কন্টাক্টস, ছবি ও অন্যান্য সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করছে। পরে ঋণ আদায়ের নামে গ্রাহকদের ওপর চাপ সৃষ্টি, ভয়ভীতি দেখানো, ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের হুমকি এবং অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।
এতে সাধারণ মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ঝুঁকির মুখে পড়ছে বলে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশে ঋণ প্রদান একটি নিয়ন্ত্রিত আর্থিক কার্যক্রম। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন এবং প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান ছাড়া কোনো মোবাইল অ্যাপ বা ডিজিটাল মাধ্যমে ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা বৈধ নয়। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী প্রতারণামূলক ঋণ কার্যক্রমের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
বিএফআইইউর নজরে ৩১ অননুমোদিত অ্যাপ
বিএফআইইউর নজরে আসা অনুমোদনহীন ঋণদাতা অ্যাপগুলোর মধ্যে রয়েছে—সাথী লোন, পপক্যাশ, ফিনক্যাশ, কুইক লোন, কুইক টাকা, ঢাকা ফিন, লোনভাইব, দোস্ত লোন, টাকা ক্যাশ লোন, কেওয়ানজা লোন, এসএসএইচ মানি, লোনবাডি, সাথি লোন, ক্যাশহোরো, আলো ক্যাশ, ফাস্ট লোন, ইজি টাকা, ধৈর্য লোন, ফিন ডট ডু, বঙ্গক্যাশ, আশা লোন, সুবিধা লোন, স্মার্ট লোন বিডি, অনলাইন লোন বিডি, সিটি অনলাইন লোন, বিডি সহজ লোন, ক্যাশ লোন, সোনালী, লোনহাট ও টাকানাও।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।