এইচএসসি: বেশি বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের সম্পূরক পরীক্ষা নিয়ে নতুন পরিকল্পনা
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় তিন বা ততোধিক বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূরক পরীক্ষা আয়োজনের প্রাথমিক রূপরেখা তৈরি করেছে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে পরীক্ষা শুরু হয়ে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ফল প্রকাশ করা হতে পারে।
সোমবার (২ নভেম্বর) বিকালে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার সম্পূরক পরীক্ষার তারিখ চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ৪ নভেম্বর বোর্ডের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ফল প্রকাশের পরিকল্পনাও রয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
‘সোমবার (২ নভেম্বর) বিকালে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।’
— জি বাংলা ডেস্ক
এর আগে গত ৩১ অক্টোবর এইচএসসির ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূরক পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনার কথা জানান। শিক্ষার্থীদের একটি শিক্ষাবর্ষ নষ্ট হওয়া ঠেকাতে এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।
আরও পড়ুন
দক্ষিণ এশিয়ায় পাসের হারে সবার পেছনে বাংলাদেশ
এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন। এ বছর পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ।
মূল বিষয়গুলি
- চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় তিন বা ততোধিক বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূরক পরীক্ষা আয়োজনের প্রাথমিক রূপরেখা তৈরি করেছে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্…
- সোমবার (২ নভেম্বর) বিকালে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ তথ্য নি…
- তিনি বলেন, মঙ্গলবার সম্পূরক পরীক্ষার তারিখ চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
- এর আগে গত ৩১ অক্টোবর এইচএসসির ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড.






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।