বেতন বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, ৭ কারখানায় ছুটি
বেতন বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরে আবারও বিক্ষোভ করেছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। এ সময় কয়েকটি কারখানা লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাস ছোড়েন। পরে লাঠিপেটা করে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করা হয়। এ ঘটনায় সাতটি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুর ৩টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ীর জরুন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে অর্ধশতাধিক শ্রমিক লাঠিসোঁটা নিয়ে কাশিমপুর থেকে কোনাবাড়ীর জরুনের দিকে আসেন। এ সময় তাঁরা আশপাশের কয়েকটি পোশাক কারখানা লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। তখন কারখানাগুলোতে উৎপাদন কার্যক্রম চলছিল।
‘পরে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে এবং লাঠিপেটা করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করেন।’
— জি বাংলা ডেস্ক
একপর্যায়ে স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের কারখানার ভেতরে দায়িত্ব পালন করা পুলিশ সদস্যরা শ্রমিকদের ধাওয়া দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বিজিবি। পরে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে এবং লাঠিপেটা করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করেন।
আরও পড়ুন
সন্ধ্যাকালীন টহল ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের নির্দেশ আরএমপি কমিশনারের
গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন বলেন, সকাল থেকে শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল। বেলা ৩টার দিকে একই দাবিতে মণ্ডল গ্রুপের কয়েকজন শ্রমিক জরুন মোড়ের দিকে আসছিলেন। এ সময় তাঁরা ছয় থেকে সাতটি কারখানায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন।
মূল বিষয়গুলি
- বেতন বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরে আবারও বিক্ষোভ করেছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা।
- রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুর ৩টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ীর জরুন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
- প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে অর্ধশতাধিক শ্রমিক লাঠিসোঁটা নিয়ে কাশিমপুর থেকে কোনাবাড়ীর জরুনের দিকে আসেন।
- একপর্যায়ে স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের কারখানার ভেতরে দায়িত্ব পালন করা পুলিশ সদস্যরা শ্রমিকদের ধাওয়া দেন।
পরে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা লাঠিপেটা ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে তাঁদের সরিয়ে দেন। এ ঘটনায় সাতটি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ওই সাতটি কারখানা ছাড়া গাজীপুরের অন্য সব কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম চলছে বলে জানান তিনি।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।