পুষ্টিগুণ বাড়াতে যেভাবে গাজর খাওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের
গাজর বিটা-ক্যারোটিনসহ নানা পুষ্টি উপাদানের ভালো উৎস। চোখের স্বাস্থ্যের পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও ত্বকের সুস্থতায়ও এটি ভূমিকা রাখতে পারে। তবে গাজর কীভাবে খাওয়া হচ্ছে, তার ওপরও কিছু পুষ্টি উপাদান শরীরে শোষণের মাত্রা নির্ভর করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঁচা গাজরের তুলনায় হালকা তাপে রান্না করা গাজর থেকে বিটা-ক্যারোটিন শরীরে তুলনামূলক ভালোভাবে শোষিত হতে পারে। ডায়েটিশিয়ান রিঙ্কল শর্মার মতে, কাঁচা গাজরের কোষীয় গঠন তুলনামূলক শক্ত থাকায় এর ভেতরের কিছু পুষ্টি উপাদান সহজে শরীরের জন্য উন্মুক্ত হয় না। হালকা রান্নায় সেই গঠন নরম হয়ে পুষ্টি উপাদান সহজলভ্য হয়।
হালকা রান্নায় পুষ্টি শোষণ বাড়তে পারে
‘ডায়েটিশিয়ান রিঙ্কল শর্মার মতে, কাঁচা গাজরের কোষীয় গঠন তুলনামূলক শক্ত থাকায় এর ভেতরের কিছু পুষ্টি উপাদান সহজে শরীরের জন্য উন্মুক্ত হয় না।’
— জি বাংলা ডেস্ক
গাজর ভাপে সেদ্ধ, অল্প তাপে রান্না বা হালকা ভাজা হলে এর কোষীয় গঠন নরম হয়। এতে বিটা-ক্যারোটিন শরীরের জন্য সহজে গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে। তবে অতিরিক্ত তাপে দীর্ঘ সময় রান্না না করাই ভালো।
আরও পড়ুন
প্রতিদিন যে খাবার খাওয়ার অভ্যাস উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমায়
রোস্ট বা বেক করেও খাওয়া যায়
মূল বিষয়গুলি
- গাজর বিটা-ক্যারোটিনসহ নানা পুষ্টি উপাদানের ভালো উৎস।
- বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঁচা গাজরের তুলনায় হালকা তাপে রান্না করা গাজর থেকে বিটা-ক্যারোটিন শরীরে তুলনামূলক ভালোভাবে শোষিত হতে পারে।
- হালকা রান্নায় পুষ্টি শোষণ বাড়তে পারে
- গাজর ভাপে সেদ্ধ, অল্প তাপে রান্না বা হালকা ভাজা হলে এর কোষীয় গঠন নরম হয়।
গাজর ভাপে রান্নার পাশাপাশি রোস্ট বা বেক করেও খাওয়া যায়। এতে গাজরের স্বাভাবিক মিষ্টতা ও স্বাদ বাড়ে। একই সঙ্গে বিটা-ক্যারোটিন শোষণের ক্ষেত্রেও এটি কার্যকর হতে পারে।
সঙ্গে রাখুন স্বাস্থ্যকর চর্বি
বিটা-ক্যারোটিন চর্বিতে দ্রবণীয়। তাই গাজরের সঙ্গে সামান্য স্বাস্থ্যকর চর্বি থাকলে শরীরে এর শোষণ বাড়তে পারে। এ ক্ষেত্রে অলিভ অয়েল, ক্যানোলা অয়েল, অ্যাভোকাডো বা বিভিন্ন ধরনের বীজ ব্যবহার করা যেতে পারে।
সহজে প্রস্তুত করার উপায়
গাজর অতিরিক্ত নরম করে রান্নার প্রয়োজন নেই। সামান্য স্বাস্থ্যকর তেলে কয়েক মিনিট হালকা ভেজে নিলেই যথেষ্ট। চাইলে স্বাদ বাড়াতে অল্প কালো গোলমরিচ যোগ করা যেতে পারে। এতে গাজরের স্বাভাবিক মচমচে ভাবও বজায় থাকে।
কাঁচা গাজরেও রয়েছে উপকার
কাঁচা গাজর খাওয়া থেকে বিরত থাকার প্রয়োজন নেই। সালাদে কাঁচা গাজর খেতে চাইলে এর সঙ্গে অলিভ অয়েলভিত্তিক ড্রেসিং, অ্যাভোকাডো বা বিভিন্ন বীজ যোগ করা যেতে পারে। এতে গাজরের বিটা-ক্যারোটিন শোষণে সহায়তা করতে পারে।
সব মিলিয়ে, গাজরের পুষ্টিগুণ কাজে লাগাতে হালকা তাপে রান্না করে স্বাস্থ্যকর চর্বির সঙ্গে খাওয়া একটি কার্যকর উপায় হতে পারে। তবে কাঁচা গাজরও স্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকার অংশ হিসেবে রাখা যায়।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।