পাকিস্তানে মসজিদের বাইরে বিস্ফোরণ, নিহত বেড়ে ২১
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার কোহাটে পুলিশ লাইনসের একটি মসজিদের কাছে বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২১ জনে দাঁড়িয়েছে। জুমার নামাজের সময় ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ১০০ জনের বেশি। পাকিস্তানের উদ্ধারকারী সংস্থা রেসকিউ ১১২২ এ তথ্য জানিয়েছে।
বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে হামলাকারীদের গোলাগুলি শুরু হয়। পুলিশ জানিয়েছে, পুলিশ লাইনসের ভেতরে একজন হামলাকারীকে স্নাইপারের গুলিতে হত্যা করা হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে ঘটনাস্থলের দিকে যাওয়ার সব পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি পুলিশ লাইনসের দেয়ালে ধাক্কা দেয়। এরপর হামলাকারীরা ভেতরে প্রবেশ করে গুলি চালায়। বিস্ফোরণে মসজিদটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়।
‘তাদের মধ্যে ফাহিম, ফরিদ, ইসমাতউল্লাহ, সামিউল্লাহ, আবদুল ওয়াহাব, ইন্সপেক্টর ইশতিয়াক ও ট্রাফিক পুলিশের এসপি আকবর শিনওয়ারি রয়েছেন।’
— আন্তর্জাতিক ডেস্ক
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মোট সাতজন হামলাকারী এ ঘটনায় জড়িত ছিল। এর মধ্যে ছয়জন নিহত হয়েছে। বাকি একজন পুলিশ লাইনসের স্পেশাল ব্রাঞ্চ ভবনের ভেতরে অবস্থান নিয়ে মাঝেমধ্যে গুলি চালাচ্ছিল। তাকে ভবনের ভেতরে আটকে রেখে কাউন্টার টেররিজম ডিপার্টমেন্টের সদস্যরা অভিযান চালাচ্ছেন।
আরও পড়ুন
এনডিটিভির সাংবাদিক থেকে ওমর আব্দুল্লার স্ত্রী, কে এই নিধি?
আহতদের দ্রুত কোহাটের সিএমএইচ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বিস্ফোরণের পর হাসপাতালে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী দল ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উদ্ধার ও নিরাপত্তা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
মূল বিষয়গুলি
- পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার কোহাটে পুলিশ লাইনসের একটি মসজিদের কাছে বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২১ জনে দাঁড়িয়েছে।
- বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে হামলাকারীদের গোলাগুলি শুরু হয়।
- কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি পুলিশ লাইনসের দেয়ালে ধাক্কা দেয়।
- পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মোট সাতজন হামলাকারী এ ঘটনায় জড়িত ছিল।
খাইবার পাখতুনখোয়া পুলিশের মহাপরিদর্শক জানিয়েছেন, সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান শেষ পর্যায়ে রয়েছে। হামলাকারীদের পুরোপুরি নির্মূল করার সক্ষমতা পুলিশের রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
এ ঘটনায় নিহত কয়েকজন পুলিশ সদস্যের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে ফাহিম, ফরিদ, ইসমাতউল্লাহ, সামিউল্লাহ, আবদুল ওয়াহাব, ইন্সপেক্টর ইশতিয়াক ও ট্রাফিক পুলিশের এসপি আকবর শিনওয়ারি রয়েছেন।
নিহত বেসামরিকদের মধ্যে চিকিৎসক ইসরাফিল এবং দুই শিশু আবদুল্লাহ ও আসাদ রয়েছে বলে জানা গেছে। অন্য নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।