তেলের দাম বাড়ানোর পরও প্রতি লিটারে ১৪ টাকা ভর্তুকি দিতে হবে: রিজভী
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পরও সরকারকে প্রতি লিটারে ১৪ টাকা ভর্তুকি দিতে হবে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
রিজভী বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে এখনো জ্বালানি তেলের দাম কম।
‘দেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা ও পরিকল্পিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো মিছিল, সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে বলেও জানান রিজভী।’
— জি বাংলা ডেস্ক
সম্প্রতি সরকার জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়িয়েছে। নতুন দরে ডিজেল ১৩৫ টাকা, পেট্রল ১৬০ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম ২১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে।
আরও পড়ুন
দেশে কি আদৌ কোনো সরকার আছে, প্রশ্ন জামায়াত আমিরের
রিজভী বলেন, তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া বিকল্প প্রস্তাব না দিয়ে বিরোধী দল লংমার্চ করছে। তারা যে ভাষায় কথা বলছে, তা সমীচীন নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মূল বিষয়গুলি
- বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পরও সরকারকে প্রতি লিটারে ১৪ টাকা ভর্তুকি দিতে হবে।
- সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
- রিজভী বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে এখনো জ্বালানি তেলের দাম কম।
- সম্প্রতি সরকার জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়িয়েছে।
গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট কাটাতে সরকার জোর চেষ্টা করছে দাবি করে রিজভী বলেন, বিরোধীরা জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করছে।
বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, বিরোধীরা ষড়যন্ত্র করছে। এক দফা কর্মসূচি দিলে বিএনপি হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। তবে আওয়ামী লীগের মতো করে বিএনপি কাউকে প্রতিহত করবে না। গণতান্ত্রিক সরকারের কাছে সন্ত্রাস প্রতিহত করা কঠিন কিছু নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
দেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা ও পরিকল্পিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো মিছিল, সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে বলেও জানান রিজভী।
তিনি আরও বলেন, প্রশাসনের ভেতরে থেকেও কেউ কেউ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে। তাদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।