ইউরোপের কোন দেশে জ্বালানি তেলের দাম কত
ইউরোপের বিভিন্ন দেশে জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে চাপ তৈরি হয়েছে। বিশ্ববাজারের পরিস্থিতি ও স্থানীয় করব্যবস্থার কারণে দেশভেদে পেট্রোল ও ডিজেলের দামে বড় পার্থক্য দেখা যাচ্ছে।
ইউরোপীয় কমিশনের অয়েল বুলেটিন ও ইউরোপিয়ান ফুয়েল প্রাইসেস ইন্ডিকেটরের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের সর্বশেষ হিসাবে ইউরোপের কয়েকটি বড় দেশে জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে রয়েছে।
সবচেয়ে বেশি দামে জ্বালানি কিনতে হচ্ছে নেদারল্যান্ডসের মানুষকে। দেশটিতে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ২ দশমিক ৪৩ ইউরো এবং ডিজেল ২ দশমিক ৪৯ ইউরো।
‘ইউরোপীয় কমিশনের অয়েল বুলেটিন ও ইউরোপিয়ান ফুয়েল প্রাইসেস ইন্ডিকেটরের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের সর্বশেষ হিসাবে ইউরোপের কয়েকটি বড় দেশে জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে রয়েছে।’
— আন্তর্জাতিক ডেস্ক
এর পরেই রয়েছে জার্মানি। দেশটিতে প্রতি লিটার পেট্রোল ২ দশমিক ৩৬ ইউরো এবং ডিজেল ২ দশমিক ৪২ ইউরো।
আরও পড়ুন
ঘুমিয়েই জিতলেন সাড়ে ৯ লাখ টাকা!
ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে যুক্তরাজ্যেও জ্বালানির দাম তুলনামূলক বেশি। সেখানে প্রতি লিটার পেট্রোল ১ দশমিক ৬৪ পাউন্ড এবং ডিজেল ১ দশমিক ৮৬ পাউন্ড।
মূল বিষয়গুলি
- ইউরোপের বিভিন্ন দেশে জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে চাপ তৈরি হয়েছে।
- ইউরোপীয় কমিশনের অয়েল বুলেটিন ও ইউরোপিয়ান ফুয়েল প্রাইসেস ইন্ডিকেটরের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের সর্বশেষ হিসাবে ইউরোপের কয়েকটি বড় দেশে জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযো…
- সবচেয়ে বেশি দামে জ্বালানি কিনতে হচ্ছে নেদারল্যান্ডসের মানুষকে।
- এর পরেই রয়েছে জার্মানি।
নিজেই তেল উৎপাদনকারী দেশ হলেও নরওয়েতে করের কারণে জ্বালানির দাম বেশ চড়া। দেশটিতে প্রতি লিটার পেট্রোল ২৩ দশমিক ৫০ নরওয়েজিয়ান ক্রোন এবং ডিজেল ২৪ দশমিক ১০ ক্রোনে বিক্রি হচ্ছে।
ফ্রান্সে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ২ দশমিক ২২ ইউরো এবং ডিজেল ২ দশমিক ২৯ ইউরো। ইতালিতে পেট্রোল ২ দশমিক ১৪ ইউরো এবং ডিজেল ২ দশমিক ২৯ ইউরো।
অস্ট্রিয়ায় পেট্রোলের দাম ১ দশমিক ৮৯ ইউরো এবং ডিজেল ২ দশমিক ১৯ ইউরো। তুলনামূলক কম দামে জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে স্পেন ও পর্তুগালে।
স্পেনে প্রতি লিটার পেট্রোল ১ দশমিক ৭৪ ইউরো এবং ডিজেল ১ দশমিক ৮৬ ইউরো। পর্তুগালে পেট্রোল ১ দশমিক ৭১ ইউরো এবং ডিজেল ১ দশমিক ৯৮ ইউরো।
তালিকাভুক্ত দেশগুলোর প্রায় সবকটিতেই ডিজেলের দাম পেট্রোলের চেয়ে বেশি। ফলে পণ্য পরিবহণসহ সড়কভিত্তিক বিভিন্ন খাতে ব্যয় বাড়ার চাপ তৈরি হচ্ছে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।