মিরপুরে আজও সড়কে নামার চেষ্টা শ্রমিকদের, পুলিশের ধাওয়া
রাজধানীর মিরপুরে ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ তৃতীয় দিনে গড়িয়েছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সকালেও মিরপুর-১৪ নম্বর এলাকায় জড়ো হয়ে মিছিল নিয়ে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন শ্রমিকেরা। এ সময় পুলিশ ধাওয়া দিলে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে নিজ নিজ কারখানায় ফিরে যান।
মিরপুর মডেল থানার ডিউটি অফিসার রোজিনা খাতুন শ্রমিকদের বিক্ষোভের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, পোশাক শ্রমিকেরা আজও রাস্তায় নামার চেষ্টা করছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সকাল থেকেই পুলিশের কর্মকর্তারা মাঠে রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (৩১ অক্টোবর) মিরপুরের বিভিন্ন পোশাক কারখানায় শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। প্রথমে কারখানার ভেতরে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই অসন্তোষ রোববার প্রকাশ্যে রূপ নেয়। ওই দিন শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধকে কেন্দ্র করে মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
‘বর্তমানে পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’ এদিকে গত দুই দিনের বিক্ষোভ, সংঘর্ষ, মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ এবং ফায়ার সার্ভিসের গাড়িতে হামলার ঘটনার পর মিরপুরজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।’
— জি বাংলা ডেস্ক
একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এ সময় যানবাহন ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং পুলিশের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনাও ঘটে বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কঠোর অবস্থান নিলে আন্দোলনকারীরা সরে যেতে বাধ্য হন। এসব ঘটনায় কয়েকজনকে আটকও করে পুলিশ।
আরও পড়ুন
আজ থেকে অটোরিকশার নিবন্ধন শুরু, জেনে নিন এককালীন ফি ও মেয়াদ
এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার সকালেও মিরপুর-১৪ নম্বর এলাকার কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা রাস্তায় নামার চেষ্টা করেন। তারা মিছিল নিয়ে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরের দিকে অগ্রসর হতে চাইলে আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া পুলিশ সদস্যরা বাধা দেন। একপর্যায়ে শ্রমিকেরা পুলিশের বাধা অতিক্রমের চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের ধাওয়া দেয়।
মূল বিষয়গুলি
- রাজধানীর মিরপুরে ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ তৃতীয় দিনে গড়িয়েছে।
- মিরপুর মডেল থানার ডিউটি অফিসার রোজিনা খাতুন শ্রমিকদের বিক্ষোভের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
- পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (৩১ অক্টোবর) মিরপুরের বিভিন্ন পোশাক কারখানায় শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।
- একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়।
একই সময়ে মিরপুর-১০ নম্বর এলাকা থেকেও শ্রমিকদের আরেকটি দল জড়ো হওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশের তৎপরতায় তাদের সেই প্রচেষ্টাও ব্যর্থ হয়। পরে শ্রমিকেরা ছত্রভঙ্গ হয়ে কারখানার ভেতরে ফিরে যান।
মিরপুর মডেল থানার ডিউটি অফিসার রোজিনা খাতুন বলেন, ‘শনিবার থেকে শুরু হওয়া শ্রমিক অসন্তোষের জেরে আজ সকালেও শ্রমিকেরা রাস্তায় নামার চেষ্টা করেছিলেন। তারা মিরপুর-১৪ নম্বর থেকে ১০ নম্বরের দিকে আসার চেষ্টা করলে পুলিশ ধাওয়া দিয়ে সরিয়ে দেয়। পরে শ্রমিকেরা গার্মেন্টসের ভেতরে চলে যান। বর্তমানে পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’
এদিকে গত দুই দিনের বিক্ষোভ, সংঘর্ষ, মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ এবং ফায়ার সার্ভিসের গাড়িতে হামলার ঘটনার পর মিরপুরজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মিরপুর-১০, ১১, ১২ ও ১৪ নম্বর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।