আইন পেশা ছেড়ে অভিনয়ে এসে আফসোস নেই সিয়ামের
অভিনয়ে আসার আগে আইনজীবী হিসেবে কাজ করতেন অভিনেতা সিয়াম আহমেদ। এখনো আইন পেশায় কিছুটা সময় দেন তিনি। তবে বর্তমানে তাঁর মূল পেশা অভিনয়।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সিয়াম বলেন, অন্য পেশার সঙ্গে আপস করেই তিনি অভিনয়ে এসেছেন। কারণ, অভিনয়কে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়া ছিল তাঁর মনের ভেতরের ডাক। আইন বিষয়ে পড়াশোনা করলেও সেই পেশা ছেড়ে আসার কোনো আফসোস নেই তাঁর।
সিয়াম বলেন, ‘অর্জিত শিক্ষা বা অভিজ্ঞতা কখনো বিফলে যায় না। মানুষের আচরণ পর্যবেক্ষণ ও চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে এটি আমার কাজে লাগে।’
‘সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও প্রচারণার বাজেট রেখে দর্শকের কাছে ভালো কাজের বার্তা পৌঁছে দেওয়াও প্রযোজকদের দায়িত্ব।’ নিজের অভিনয়জীবনের লক্ষ্য সম্পর্কে সিয়াম বলেন, ‘সস্তা তারকাখ্যাতির পেছনে ছোটা আমার লক্ষ্য নয়।’
— বিনোদন ডেস্ক
আইন পেশা ছেড়ে অভিনয়ে আসার পর ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে এ পেশা নিয়ে অনিশ্চয়তায়ও ভুগেছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে সিয়াম বলেন, ‘সিনেমার অনিশ্চয়তা ও পারিবারিক দায়িত্ব নিয়ে তখন মানসিক চাপ ছিল। তবে আমি নিজের স্বপ্নের প্রতি সব সময় সৎ ও অবিচল ছিলাম। বস্তুগত বিলাসিতার চেয়ে নিজের সময় ও কাজ উপভোগ করাকেই আমি প্রাধান্য দিই। সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে স্ত্রীর মানসিক সমর্থন আমার জীবন অনেক সহজ করেছে।’
আরও পড়ুন
‘ফেউ কমপ্লিট সাগা’ আসছে ১১ নভেম্বর, উন্মোচিত হলো টিজার
পারিবারিক জীবন নিয়েও কথা বলেছেন এ অভিনেতা। সিয়াম বলেন, ‘সন্তান হওয়ার পর আমি বেশ পরিবারকেন্দ্রিক হয়ে উঠেছি। চার দেওয়ালের ভেতরের প্রিয় মানুষগুলোর সঙ্গই এখন আমার কমফোর্ট জোন। নিজে বাবা হওয়ার পর সম্পর্কের গভীর আবেগ বুঝতে পেরেছি। তাই এখন পরিবার ও শিশুদের উপযোগী সিনেমা নির্মাণের পরিকল্পনাও করছি।’
মূল বিষয়গুলি
- অভিনয়ে আসার আগে আইনজীবী হিসেবে কাজ করতেন অভিনেতা সিয়াম আহমেদ।
- সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সিয়াম বলেন, অন্য পেশার সঙ্গে আপস করেই তিনি অভিনয়ে এসেছেন।
- সিয়াম বলেন, ‘অর্জিত শিক্ষা বা অভিজ্ঞতা কখনো বিফলে যায় না।
- আইন পেশা ছেড়ে অভিনয়ে আসার পর ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে এ পেশা নিয়ে অনিশ্চয়তায়ও ভুগেছেন তিনি।
বর্তমান পেশা নিয়ে সন্তুষ্ট হলেও চলচ্চিত্রের কিছু অসংগতি তাঁকে কষ্ট দেয়। বিশেষ করে ঈদকেন্দ্রিক সিনেমা মুক্তির প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসার পক্ষে তিনি। সিয়ামের ভাষ্য, ‘শুধু ঈদ কেন্দ্র করে সিনেমা মুক্তির মানসিকতা থেকে আমাদের বের হতে হবে। বছরজুড়ে নিয়মিত সিনেমা মুক্তির পরিবেশ তৈরি করা দরকার। আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের দর্শক সব সময় ভালো গল্প ও নির্মাণকে সাদরে গ্রহণ করে। শুধু সিনেমা বানালেই হবে না। সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও প্রচারণার বাজেট রেখে দর্শকের কাছে ভালো কাজের বার্তা পৌঁছে দেওয়াও প্রযোজকদের দায়িত্ব।’
নিজের অভিনয়জীবনের লক্ষ্য সম্পর্কে সিয়াম বলেন, ‘সস্তা তারকাখ্যাতির পেছনে ছোটা আমার লক্ষ্য নয়। কাজের সততা ও পারফরম্যান্স দিয়ে দর্শকের মনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে চাই। এটাই আমার অভিনয়জীবনের মূল লক্ষ্য।’
কাজের ক্ষেত্রে সিয়ামকে সর্বশেষ দেখা গেছে চলতি বছরের ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাওয়া ‘রাক্ষস’ সিনেমায়। মেহেদী হাসান হৃদয় পরিচালিত ছবিটি ঈদের দিন শুধু মাল্টিপ্লেক্সে মুক্তি পায়। পরে দেশের প্রায় ৩০টি সিঙ্গেল স্ক্রিন প্রেক্ষাগৃহেও প্রদর্শিত হয়।
বর্তমানে রায়হান রাফী পরিচালিত থ্রিলার সিনেমা ‘আন্ধার’ নিয়ে ব্যস্ত আছেন সিয়াম। ছবিটি গত অক্টোবরে মুক্তির কথা থাকলেও পরে তা পিছিয়ে যায়। পরিচালক জানিয়েছেন, ২০২৭ সালের ২৬ মার্চ ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন তাঁরা।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।