১৬ বছর বয়সেই যুক্তরাষ্ট্র দলে ডাক পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাভান
বিশ্বকাপের পর প্রথম অভিযানের জন্য দল ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কোচ মরিসিও পচেত্তিনো। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে অনুষ্ঠেয় ফিফা আন্তর্জাতিক উইন্ডোর জন্য ঘোষিত স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের উদীয়মান অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার কাভান সুলিভান।
মাত্র ১৬ বছর বয়সেই যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলে (ইউএসএমএনটি) ডাক পেয়েছেন কাভান। আসন্ন চারটি প্রীতি ম্যাচের জন্য ঘোষিত দলে থাকা ১৩ নতুন মুখের একজন তিনি।
কোনো একটি ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পেলেই যুক্তরাষ্ট্রের পুরুষ ফুটবলের ইতিহাসে চতুর্থ সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে আন্তর্জাতিক অভিষেক হবে কাভানের। এমএলএস মৌসুম পুনরায় শুরু হওয়ার পর ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের হয়ে দুর্দান্ত ফর্মে থাকায় তাকে নিয়ে মার্কিন ফুটবলে আগ্রহও বেড়েছে।
‘সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে অনুষ্ঠেয় ফিফা আন্তর্জাতিক উইন্ডোর জন্য ঘোষিত স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের উদীয়মান অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার কাভান সুলিভান।’
— স্পোর্টস ডেস্ক
বাংলাদেশি ফুটবলপ্রেমীদের কাছেও কাভান সুলিভানের এই সাফল্য বিশেষ আগ্রহের জন্ম দিয়েছে। তার নানি সুলতানা আলম ঢাকার বাসিন্দা ছিলেন। কাভানের দুই বড় যমজ ভাই রোনান ও ডিকলান ইতোমধ্যে অনূর্ধ্ব-২০ পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
আরও পড়ুন
১৫ রানে ৩ উইকেট সাকিবের, তবুও হারল পোখারা
মাত্র ১৪ বছর বয়সে ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের হয়ে পেশাদার ফুটবলে অভিষেক হয় কাভানের। এরপর অল্প বয়সেই ক্লাব পর্যায়ে নিজের প্রতিভার জানান দিয়ে এবার যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দলে ডাক পেলেন তিনি।
মূল বিষয়গুলি
- বিশ্বকাপের পর প্রথম অভিযানের জন্য দল ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কোচ মরিসিও পচেত্তিনো।
- মাত্র ১৬ বছর বয়সেই যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলে (ইউএসএমএনটি) ডাক পেয়েছেন কাভান।
- কোনো একটি ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পেলেই যুক্তরাষ্ট্রের পুরুষ ফুটবলের ইতিহাসে চতুর্থ সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে আন্তর্জাতিক অভিষেক হবে কাভানের।
- বাংলাদেশি ফুটবলপ্রেমীদের কাছেও কাভান সুলিভানের এই সাফল্য বিশেষ আগ্রহের জন্ম দিয়েছে।
আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর ১৭ বছরে পা দেবেন কাভান। ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার পর ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টিও ইতোমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।