সালমান শাহর ৫৫তম জন্মদিন আজ
নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহর ৫৫তম জন্মদিন আজ। মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি।
১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন সালমান শাহ। তাঁর আসল নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। বাবা কমর উদ্দিন চৌধুরী ও মা নীলা চৌধুরীর বড় ছেলে তিনি। বেঁচে থাকলে আজ ৫৫ বছরে পা দিতেন এই অভিনেতা।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মাত্র ২৫ বছর বয়সে মারা যান সালমান শাহ। তাঁর মৃত্যুর কারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা আলোচনা থাকলেও বিষয়টি নিয়ে বিতর্কও রয়েছে।
‘সালমান শাহ অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে—‘অন্তরে অন্তরে’, ‘সুজন সখী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘জীবন সংসার’, ‘প্রেম প্রিয়াসী’, ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘তোমাকে চাই’, ‘আনন্দ অশ্রু’ ও ‘বুকের ভ…’
— বিনোদন ডেস্ক
যেভাবে চলচ্চিত্রে
আরও পড়ুন
মাদক মামলায় ফেঁসেছিল সারা, আমি ওর পাশে ছিলাম: ওরি
সালমান শাহ অভিনয়জীবন শুরু করেন টেলিভিশন নাটক দিয়ে। ১৯৮৫ সালে বিটিভির ‘আকাশ ছোঁয়া’ নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করেন তিনি। পরে ‘দেয়াল’, ‘সব পাখি ঘরে ফেরে’, ‘সৈকতে সারস’, ‘নয়ন’ ও ‘স্বপ্নের পৃথিবী’সহ বিভিন্ন নাটকে অভিনয় করেন।
মূল বিষয়গুলি
- নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহর ৫৫তম জন্মদিন আজ।
- ১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন সালমান শাহ।
- ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মাত্র ২৫ বছর বয়সে মারা যান সালমান শাহ।
- সালমান শাহ অভিনয়জীবন শুরু করেন টেলিভিশন নাটক দিয়ে।
১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তাঁর। প্রথম সিনেমাতেই দর্শকের নজর কাড়েন সালমান শাহ। এরপর একের পর এক সফল সিনেমায় অভিনয় করে নব্বইয়ের দশকের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক হয়ে ওঠেন তিনি।
চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে তাঁর সঙ্গে শাবনূরের জুটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পায়। সালমান শাহর ২৭টি সিনেমার মধ্যে ১৪টিতে তাঁর নায়িকা ছিলেন শাবনূর। তাঁদের জুটি বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শকের কাছে বিশেষভাবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
সালমান শাহ অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে—‘অন্তরে অন্তরে’, ‘সুজন সখী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘জীবন সংসার’, ‘প্রেম প্রিয়াসী’, ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘তোমাকে চাই’, ‘আনন্দ অশ্রু’ ও ‘বুকের ভেতর আগুন’।
স্বল্প সময়ের ক্যারিয়ার হলেও তাঁর অভিনীত সিনেমাগুলো এবং অভিনয়ের ধরন এখনো দর্শকের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করে। মৃত্যুর প্রায় তিন দশক পরও বাংলা চলচ্চিত্রে সালমান শাহর নাম আলোচিত।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।