‘ওয়ার্ল্ড ওয়ার জি’র সিক্যুয়ালে ফিরছেন ব্র্যাড পিট
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নির্মিত হতে যাচ্ছে হলিউডের জনপ্রিয় সিনেমা ‘ওয়ার্ল্ড ওয়ার জি’র সিক্যুয়াল। দ্বিতীয় কিস্তিতে আবারও ‘গেরি লেন’ চরিত্রে অভিনয় করবেন ব্র্যাড পিট। সিনেমাটি নির্মাণ করবে প্যারামাউন্ট পিকচার্স।
‘অল কোয়ায়েট অন দ্য ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট’ ও ‘কনক্লেভ’খ্যাত পরিচালক এডওয়ার্ড বার্গার সিনেমাটি পরিচালনা করবেন। চিত্রনাট্য লিখেছেন ডেনিস কেলি। তবে সিক্যুয়ালের গল্প বা কাহিনি সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করা হয়নি।
ব্র্যাড পিট তার প্রযোজনা সংস্থা ‘প্ল্যান বি’র ব্যানারে ডেডে গার্ডনার ও জেরেমি ক্লেইনারের সঙ্গে যৌথভাবে সিনেমাটি প্রযোজনা করবেন। এডওয়ার্ড বার্গারও নির্বাহী প্রযোজকের দায়িত্ব পালন করবেন।
‘ব্র্যাড পিট তার প্রযোজনা সংস্থা ‘প্ল্যান বি’র ব্যানারে ডেডে গার্ডনার ও জেরেমি ক্লেইনারের সঙ্গে যৌথভাবে সিনেমাটি প্রযোজনা করবেন।’
— বিনোদন ডেস্ক
ম্যাক্স ব্রুকসের ২০০৬ সালের বেস্টসেলার উপন্যাস অবলম্বনে ২০১৩ সালে মুক্তি পায় ‘ওয়ার্ল্ড ওয়ার জি’। মার্ক ফস্টার পরিচালিত সিনেমাটিতে ব্র্যাড পিট অভিনয় করেন জাতিসংঘের সাবেক কর্মী গেরি লেন চরিত্রে। জম্বি মহামারির বিস্তার ঠেকাতে তার লড়াইকে কেন্দ্র করে এগিয়ে যায় সিনেমার গল্প।
আরও পড়ুন
মাদক মামলায় ফেঁসেছিল সারা, আমি ওর পাশে ছিলাম: ওরি
মুক্তির পর বিশ্বব্যাপী ৫৪ কোটি ডলারের বেশি আয় করে সিনেমাটি। সাফল্যের পর এর সিক্যুয়াল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও নানা কারণে তা দীর্ঘদিন এগোয়নি।
মূল বিষয়গুলি
- দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নির্মিত হতে যাচ্ছে হলিউডের জনপ্রিয় সিনেমা ‘ওয়ার্ল্ড ওয়ার জি’র সিক্যুয়াল।
- ‘অল কোয়ায়েট অন দ্য ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট’ ও ‘কনক্লেভ’খ্যাত পরিচালক এডওয়ার্ড বার্গার সিনেমাটি পরিচালনা করবেন।
- ব্র্যাড পিট তার প্রযোজনা সংস্থা ‘প্ল্যান বি’র ব্যানারে ডেডে গার্ডনার ও জেরেমি ক্লেইনারের সঙ্গে যৌথভাবে সিনেমাটি প্রযোজনা করবেন।
- ম্যাক্স ব্রুকসের ২০০৬ সালের বেস্টসেলার উপন্যাস অবলম্বনে ২০১৩ সালে মুক্তি পায় ‘ওয়ার্ল্ড ওয়ার জি’।
২০১৯ সালে পরিচালক ডেভিড ফিঞ্চারের নেতৃত্বে সিক্যুয়ালটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে পরে সেই পরিকল্পনা বাতিল হয়ে যায়। পরবর্তীতে চলতি বছরের এপ্রিলে ‘সিনেমাকন’-এ প্যারামাউন্ট সিক্যুয়াল নির্মাণের বিষয়টি নিশ্চিত করে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।